করোনা সংকটে ভোগান্তিতে তরমুজ ব্যবসায়িরা - BANGLANEWSUS.COM
  • নিউইয়র্ক, দুপুর ২:১৩, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ


 

করোনা সংকটে ভোগান্তিতে তরমুজ ব্যবসায়িরা

ADMIN, USA
প্রকাশিত এপ্রিল ১৮, ২০২১
করোনা সংকটে ভোগান্তিতে তরমুজ ব্যবসায়িরা

আনোয়ার হোসেন আনু,কুয়াকাটা(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি॥
পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসহ সমুদ্র উপকুলের তরমুজ চাষী ও ব্যবসায়ীরা ক্রেতা সংকটে লোকসানের মূখে পড়েছে। করোনা সংক্রমনের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় লকডাউনে থাকা মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। পাইকারেরা তরমুজ কিনলেও তা বাজারজাত করতে পারছে না। স্থানীয় বাজারে এর চাহিদা কম থাকায় কমে গেছে তরমুজের দাম। ক্রেতা কম থাকায় অনেকের মজুদ করা তরমুজ পচঁন ধরার ভয়ে কম দামেই স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে। এর প্রভাব পরেছে চাষী পর্যায়ে।
তরমুজ ব্যবসায়িদের সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটা পৌরসভা, ধানখালী, লতাচাপলী, চম্পাপুর, ধুলাসার ইউনিয়ন সহ সমুদ্র উপকুলের বিভিন্ন চলতি মৌসুমে তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক এর সুফল পেয়েছে। লগডাউনের আগে অধিকাংশ চাষী তাদের ক্ষেত বিক্রি করতে পেরেছে তাই চাষীরা ভাল দাম পেয়েছে তরমুজের। তবে খুচরা বিক্রেতারা ট্রাক মূলে তরমুজ ক্রয়ের পর হঠাৎ লগডাউন’র ঘোষনা আসায় হাটে বাজারে লোক সমাগম কমে গেছে। ফলে দেখা দিয়েছে ক্রেতা সংকট।
তরমুজ ব্যবসায়ী ইউনুচ বলেল, লকডাউনের কারনে ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে। দুই চারটা যা বিক্রি করছি তাও ভাল দাম পাচ্ছি না। ব্যবসায়ী মো.জলিল জানান, তিনি এক সপ্তাহ আগে তরমুজ কিনেছেন। বিক্রি কম হওয়ায় তার কিছুু তরমুজে পচঁন ধরেছে। অপর তরমুজ ব্যবসায়ী মো.আনসার আলী জানান, হঠাৎ ক্রেতা পর্যায়ে খাওতা কমে গেছে। কাঁচা মাল মজুদ করারও কোন সুযোগ নেই। তার প্রায় সহ¯্রাধিক পিস তরমুজ কেনা ছিল। লগডাউনের পর থেকে ক্রেতা কমে যাওয়ায় তরমুজ বিক্রি করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন অগ্রিম তরমুজ ক্ষেত কিনে বিপাকে পড়েছি। বিক্রি করে উঠতে পারলে ভাল। না হয় লোকসানের বোঝা বহন করতে হবে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, করোনা সংক্রমনের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সারা দেশের ন্যায় কুয়াকাটাসহ উপকুলে চলছে লকডাউন। তাই ঘর থেকে লোকজন বাহিরে বের হচ্ছে না। ফলে স্থানীয় বাজারগুলোতে তরমুজের চাহিদাও কমে গেছে। ফলে তরমুজ ব্যবসায়ীরা লোকসানের শংকায় রয়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, কুয়াকাটাসহ এ উপজেলা ১৫’শ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। ফলনও ভাল হয়েছে। লকডাউনের আগে ভাগেই চাষীরা ক্ষেতের তরমুজ বিক্রি করে দিয়েছে। ওইসময় তারা দামও ভাল পেয়েছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এখন কিছুটা দাম, পরে যাওয়ায় চাষী ও ব্যবসায়িরা হতাশা প্রকাশ করছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।