মান্দায় খড়ের দাম বৃদ্ধি!

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual5 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

মাহবুবুজ্জামান সেতু, নওগাঁ :
নওগাঁর মান্দায় গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত খড়ের দাম দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও খড়ের আকাশছোঁয়া দাম ভাবনায় ফেলেছে তাদের। অনেকে পশু খাদ্য কিনতে না পেরে গরু হাটে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছেন। তাঁরা আরও জানান, প্রতি কাহন (১৬ পন) ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে খড়। যে খড়ের দাম গত বছর ছিলো প্রতি কাহন সর্বোচ্চ দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা।

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, উপজেলার সতিহাট, গণেশপুর, শ্রীরামপুর, মীরপুর, কাঞ্চন, চাঁনপুর,দূর্গাপুর, নলকুড়ি, ভোলাবাজার,মৈনম, প্রসাদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য ছোট-বড় গরুর খামার। কারো রয়েছে দুগ্ধজাত খামার, আবার কেউ শুধুমাত্র বাড়িতে রাখার জন্য গরু পালন শুরু করেছেন । এসব খামারে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত খড়-কুটার যথেষ্ট পরিমাণ সংকট রয়েছে ।

উল্লেখ্য,মান্দা উপজেলায় গত কয়েক বছর ধরে গরুর খামারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে যুবকদের একটা অংশ খামার প্রকল্পের দিকে ঝুঁকছেন। কেউ গরুর মোটাতাজাকরণ আবার কেউ দুগ্ধজাত গরুর খামার করছেন। এছাড়া এই এলাকায় ধান চাষ আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তাছাড়া ফলন ভালো না হওয়ায় খড়ের সংকট দেখা দেয়। মূলত খড় ক্রেতার সংখ্যা বেড়েছে, সে তুলনায় বাড়েনি খড়ের পরিমান। আর এতে করেই দাম বাড়ছে হু-হু করে।

গরু পালন করেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, একটি গরুর সারা বছরের শুকনা খাবারের জন্য খড়ের বিকল্প নেই। তিন বেলা নিয়ম করে অন্যান্য খাবার খাওয়ানোর পাশাপাশি খড় দিতে হয়। গুড়া-ভুসি, চাল ফুটানো মিলিয়ে খাওয়ার সঙ্গে খড় কেটে পানির সঙ্গে ভিজিয়ে খাওয়ানো হয়। এছাড়াও তিন বেলা খাওয়ার বাইরে খড় ও কাঁচা ঘাস দিতে হয়। ঘাসের তুলনায় খামারে খড়ের প্রয়োজনীয়তাই বেশি। আর এ কারণেই প্রত্যেক খামার বা সাধারণ গেরস্থদের কমপক্ষে এক বছরের জন্য খড় কিনে রাখতে হয়। খড়ের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারিদের পাশাপাশি বিপাকে পড়েছেন সাধারণেরাও। অনেকে আবার সংকটের কারণে নওগাঁসহ অন্যান্য জেলা থেকেও খড় কিনে এনেছেন বলেও তারা জানান।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code