কাজীপুর বাঐখোলা ক্লোজার কাজ এগিয়ে চলছে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual1 Ad Code

কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) :
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের বাঐখোলায় অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ ক্লোজার বাধের কাজ দূতগতিতে এগিয়ে চলেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই ক্লোজার বাধের নির্মাণ কাজ যথাযথ ভাবে সম্পন্ন হলে ভাটিতে অবস্থিত তিনটি গ্রামের বিশাল জনপদ যমুনার ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে, পাশাপাশী ভ্রমনপিপাসুদের জন্য ক্লোজার বাধটি দর্শনীয়স্থান হিসাবে পরিনত হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানে গেছে , গত ২০১২ সালে যমুনার ভাঙ্গনের কবলে পরে সিরাজগঞ্জের সদর ইউনিয়নের রতনকান্দি,বাহুকা,কাজীপুরের শুভগাছা ইউনিয়নের শুভগাছা ও গান্ধাইল ইউনিয়নের বাঐখোলা এলাকায় ব্যপক ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। ঐ সময় যমুনার একটি শাখা নদী কাজীপুরের বাএখোলা , শভগাছা, ও পাশ^বত্তী রতনকান্দি ইউনিয়নের পাশঘেঁসে প্রবাহিত হতে থাকায় এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যপক ভাঙ্গন ভিতি শুরু হয়। গত ২০১৩ সালের ঐ সময় কালিণ শাখা নদীটি বন্ধের লক্ষ্যে বাঐখোলার সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মরহুম আলআমিন তাং ও স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে সাবেক সাংসদ প্রকৌশলী জয়ের সার্বিক সহযোগিতায় প্রায় কোটি টাকা ব্যায়ে একটি ক্রস বাধ নির্মিত হলে যমুনারশাখা নদীর ভাঙ্গন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতেকরে পরের বছর ঐ এলাকায় চরজেগে অনেক জমাজমি চাষাবাদের আওতায় আসে।এদিকে দির্ঘদিন পরে গত ২০১৯ সালে হটাৎকরে যমুনার ভাঙ্গন আবার বেড়ে যাওয়ায় পূর্বের করা ক্রসবাধটি ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়।অপরদিকে ১৮/১৯ অর্থ বছরে যমুনার নদী তীঁর সংরক্ষন কাজের শূভগাছা এলাকার কাজ চলমান রাখতে গিয়ে উজানে বাঐখোলা ও পাটাগ্রাম এলাকায় আবারো যমুনা নদী খনন কাজ করে খননকৃত মাটি পঞ্চিমাংশে পূর্বের ভেঙ্গে যাওয়া ক্রস বাধ এলাকায় ফেলতে থাকায় আগের মত একটি বাধ সৃষ্টি হতে থাকে।এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০১৩ সালের নির্মিত বাধটির গুরুত্ববুঝে আগের বাধের স্থানে নুতন একটিক্লোজার বাধের নির্মাণ কাজ হাতে নিয়েছে। এবিষয়ে ক্লোজার বাধের দেখবালের দায়িত্বরত এস ও জাকির হোসেন জানান ৪শ মিটার লম্বা,ও ১শমিটার প্রসস্থ নির্মানাধীন ক্রসবাধটির মাটি ফেলতে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যায় হত।কিন্ত উজানের যমুনার খননকৃত মাটি নদীতীরে না রেখে ক্রসবাধটি নির্মাণ করা হচ্ছে,যা পানিউন্নয়ন বোর্ডের একটি সাশ্রয়ী প্রকল্প। গত মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ক্রসবাধিটির তিন সাইডে প্রায় ২লক্ষাধীক জিও ব্যাগ ড্যাম্পিং এর কাজ সম্পন্ন হওয়ার পথে। তিনি আরও জানান কাজ সম্পন্ন হলে ভাটির অংশের শুধু ভাঙ্গনই রোধ হবে না, ক্রসবাধটির তিনদিকে পানি থাকায় ভ্রমনপিপাসুদের চির্তবিনোদনের পাশাপাশী স্বাস্থ্যকর দর্শনীয় স্থানে পরিণত হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code