কূটনীতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো খতিয়ে দেখতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

সম্পাদকীয়: ইন্দোনেশিয়ায় একজন বাংলাদেশি কূটনীতিকের বাসা থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং তাকে ফিরিয়ে আনার ঘটনা শুধু সরকারের জন্যই বিব্রতকর নয়, এটি দেশের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর।
জাকার্তায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উপপ্রধান কাজী আনারকলির বাসায় নিষিদ্ধ ঘোষিত মাদক মারিজুয়ানা রাখার অভিযোগ উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাইজেরিয়ার নাগরিকের সঙ্গে মারিজুয়ানাসহ আনারকলিকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখে।
কূটনৈতিক দায়িত্ব থেকে কাজী আনারকলিকে ফেরত আনার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে বাসায় গৃহকর্মী নিখোঁজের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের লসঅ্যাঞ্জেলেস থেকে তাকে ফেরত আনা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কূটনীতিকদের বা তাদের পরিবারের সদস্যদের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ঘটনা আগেও ঘটেছে। অবশ্য দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। তবে প্রশ্ন হলো, একজন কূটনীতিককে কূটনৈতিক ভব্যতা ও শিষ্টাচার সম্পর্কিত নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ সহকারেই কোনো দায়িত্ব দিয়ে বিদেশে পাঠানো হয়; তারপরও কোনো কোনো কূটনীতিকের আচরণে এর ব্যত্যয় ঘটছে কেন? ভুলে গেলে চলবে না, একজন কূটনীতিক বিদেশে নিজ দেশ ও সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অভিযোগ দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের দৈনন্দিন কাজকর্মও ব্যাহত হয়। এছাড়া বিদেশে তদন্ত কমিটি পাঠানোসহ নানা প্রক্রিয়ায় কর্মকর্তাদের মূল্যবান সময়ের পাশাপাশি রাষ্ট্রের মোটা অঙ্কের অর্থেরও অপচয় হয়। কাজেই কূটনীতিকদের আরও কঠোরভাবে নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে পাঠানো উচিত বলে মনে করি আমরা। কূটনীতিকদের কাজ দেশের ভাবমূর্তি বাড়ানো। মিশন চালাতে সরকারের ব্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে আয় বাড়ানো। কিন্তু সেসব না করে তারা ক্ষুদ্র স্বার্থরক্ষা এবং নানা অপকর্মের কারণে বিতর্কিত হয়ে দেশের বোঝা হয়ে উঠছেন। এটা চলতে পারে না। এ ধরনের কূটনীতিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিকল্প নেই।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code