কেমিক্যাল মুক্ত দুধ উৎপাদনে নজর দিতে হবে

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual7 Ad Code

সম্পাদকীয়:

Manual2 Ad Code

কেবল দুগ্ধজাত পণ্য নয়; দেশে মাছ-মাংস, দুধ-ডিম ও ফল-মূল থেকে শুরু করে প্রায় সব পণ্যের পাশাপাশি সেবা খাতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও ভেজালের মিশ্রণসহ নানা প্রক্রিয়ায় প্রতারণা করা হচ্ছে। দেশের সব নামি-দামি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এ প্রক্রিয়ায় তৈরি তরল দুধ প্যাকেটজাত করে পাস্তুরিত দুধ  বলে বিক্রি করছে। ভোক্তারা সরল বিশ্বাসে এসব দুধ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন, তা বলাই বাহুল্য। ভোক্তাস্বার্থ রক্ষায় দ্রুত এ প্রতারণা বন্ধ হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি। এক গবেষণায় দেশের তরল দুধ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল পরিমাণ গুঁড়োদুধ ক্রয়ের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তরল দুধ বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো কেন এত অধিক পরিমাণে গুঁড়োদুধ ক্রয় করে থাকে- এ প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। একই গবেষণায় পাস্তুরিত তরল দুধে আখের চিনির অস্তিত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। স্বাভাবিক নিয়মে দুধের মধ্যে ‘দুধের চিনি  অর্থাৎ ‘ল্যাকটোজ’ থাকার কথা। দুধে আখের চিনি কোথা থেকে এলো- এর সদুত্তর খোঁজাও জরুরি। গুঁড়োদুধ পানিতে মিশিয়ে বিক্রি করতে হলে প্যাকেটের গায়ে অবশ্যই তা উল্লেখ করতে হবে এবং পাস্তুরিত বলে বিক্রি করা যাবে না। ভুলে গেলে চলবে না, দুধ এমন একটি খাবার, যার সঙ্গে কেবল মুনাফা নয়; সুস্থ-সবল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার মতো মৌলিক বিষয়ও জড়িত।  সংশোধিত ভোক্তা আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগের পাশাপাশি বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে সরকার খাদ্যপণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ভেজাল ও প্রতারণার হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে, এটাই প্রত্যাশা।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code