গর্ভাবস্থায় যে কাজগুলো করবেন না

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual7 Ad Code

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ গর্ভাবস্থায় নারীর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। এসময় অনেককিছুই নতুন ঘটে থাকে হবু মায়ের সঙ্গে। তাই থাকতে হয় একটু বাড়তি সতর্ক। সঠিক খাবার, পর্যাপ্ত পানি, পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম এ সময়ে বিশেষ জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গর্ভাবস্থার উপযোগী সাধারণ শরীরচর্চা করা যেতে পারে। তবে কিছু কাজ আছে যা এসময় করা যাবে না। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

সারাক্ষণ শুয়ে বসে থাকবেন না

Manual5 Ad Code

গর্ভাবস্থায় সচল বা অ্যাক্টিভ থাকলে তা মা এবং অনাগত সন্তানের জন্য ভালো। আপনার যদি কোনো ধরনের সমস্যা না থাকে তবে হালকা হাতে ব্যায়াম করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ কিছু ব্যায়াম গর্ভাবস্থায় করা যায় না। নিয়মিত হাঁটুন। বাসার টুকিটাকি কাজ করুন। তবে ভারী ব্যায়াম করবেন না।

Manual1 Ad Code

দু’জনের খাবার একা খাবেন না

অনেকেই বলে থাকেন, গর্ভাবস্থায় দুজনের খাবার একা খেতে হয়। কারণ গর্ভে আরেকজন থাকে। এটি মোটেও ঠিক নয়। গর্ভাবস্থায় হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে ক্ষুধা বেশি-কম হতে পারে। তবে এর সঙ্গে শিশুর খাবারের কোনো সম্পর্ক নেই। এসময় কোনোভাবেই দুজনের খাবার একা খাবেন না। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এসময় নারীরা প্রায় ২০০ ক্যালোরির মতো অতিরিক্ত গ্রহণ করেন। সবচেয়ে ভালো হয় গর্ভাবস্থায় একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে পারলে।

Manual2 Ad Code

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না

যেকোনো শারীরিক সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না। হোক তা ছোট কিংবা বড় সমস্যা। কারণ এসময় যেকোনো ধরনের ওষুধ শিশুর বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই জ্বর, বদ হজম বা যেকোনো শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ খাবেন। নিজে থেকে খাবেন না।

Manual7 Ad Code

পর্যাপ্ত না ঘুমিয়ে থাকবেন না

গর্ভাবস্থায় পর্যাপ্ত ঘুম খুবই জরুরি। এসময় ঘুম ঠিকভাবে না হলে তা শিশুর বৃদ্ধিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। এক-আধ ঘণ্টা করে কয়েকবারে না ঘুমিয়ে একবারে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের অভ্যাস করুন। এসময় ঘুম না হলে আপনার শরীরেও দেখা দিতে পারে অনেক সমস্যা। তাই পর্যাপ্ত ঘুমান।

মুখ গোমড়া করে থাকবেন না

গর্ভাবস্থায় শরীরের পাশাপাশি নিতে হবে মনের যত্ন। স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন। কিছু খাবার আছে যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। সেসব খাবার খাবেন। পছন্দের কাজগুলো করবেন। মনের উপর কোনো চাপ নেবেন না। সব সময় চেষ্টা করবেন হাসিখুশি থাকার। এতে আপনি এবং আপনার অনাগত সন্তানের উপকার হবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code