ঘুরে যাবে ভাগ্যের চাকা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual7 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: লোকে বলে, ভাগ্য সবসময় সাহসীদের পক্ষে থাকে। তবে জনশ্রুতি আছে, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিভিন্ন মূর্তি ও ভাস্কর্য স্পর্শ করলে যে কারও ভাগ্যের চাকা ঘুরে যেতে পারে! এগুলো নিয়ে তিন পর্বের আয়োজন। আজ রইলো দ্বিতীয় কিস্তি।

Manual1 Ad Code

ফরাসি সংগীতশিল্পী-অভিনেত্রী ইওলন্দা ক্রিস্টিনা জিগলিওতির মূর্তি
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে মোমার্ত এলাকার প্লেস দালিদায় অবস্থিত এই আবক্ষ মূর্তি। এটি ফরাসি সংগীতশিল্পী-অভিনেত্রী ইওলন্দা ক্রিস্টিনা জিগলিওতির স্মৃতিতে তৈরি হয়েছে। পেশাদার আঙিনায় দালিদা নামে পরিচিতি ছিলেন তিনি। বিশ্বব্যাপী তার অ্যালবাম আর সিঙ্গেলের ১৭ কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছিল। তিনি ছিলেন প্যারিসের প্রিয়তমা। ১৯৮৭ সালে আত্মহত্যা করেন দালিদা। তাঁর দশম মৃত্যুবার্ষিকীতে মূর্তিটি স্থাপন করা হয়। ঐতিহ্য অনুযায়ী, মূর্তিটির স্তন স্পর্শ করলে সৌভাগ্য আসে!

Manual3 Ad Code

আব্রাহাম লিংকনের ভাস্কর্য
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় রাজ্যের স্প্রিংফিল্ড শহরের ওক রিজ সেমেট্রিতে ১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের সমাধির বাইরে তারই একটি ভাস্কর্য রয়েছে। লিংকনের নাকটি দর্শনার্থীদের হাতের ঘষায় সোনার মতো জ্বলজ্বল করে! স্থানীয়দের বিশ্বাস, প্রয়াত রাষ্ট্রপতির নাক ঘষলে ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কেউবা মনে করেন, এর মাধ্যমে জ্ঞানের বিকাশ ঘটে!

Manual7 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের পোষা কুকুরের ভাস্কর্য
স্কটিশ কুকুর ফালা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের পোষা প্রাণী। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি’র ফ্রাঙ্কলিন ডি.রুজভেল্ট মেমোরিয়ালের ভেতরে ফালার আকারের একটি মূর্তি তাঁর মালিকের পাশে বসে আছে। জনশ্রুতি আছে, ফালার নাক ঘষলে ভাগ্যের চাকা ঘুরে যেতে পারে! কেউবা মনে করেন, কুকুরটির কান স্পর্শ করলে সৌভাগ্য আসে। এ কারণে মূর্তির নাক-কান উভয়ই ঘষেন অনেকে!

ক্রোয়েশিয়ার কথাশিল্পী মারিন দ্রিজিকের মূর্তি
ক্রোয়েশিয়ার অমর কথাশিল্পী মারিন দ্রিজিক পাঠকমহলে ডুব্রোভনিকের ‘শেক্সপিয়র’ হিসেবে পরিচিত। শহরটির চার্চ অব সেন্ট ব্লেইজের সামনের রাস্তায় তার একটি মূর্তি আছে। ডুব্রোভনিকের লাল ছাদ বিশিষ্ট ওল্ড টাউনের রেক্টর;স প্যালেস জাদুঘরের কাছে এটি অবস্থিত। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, মূর্তির নাক ঘর্ষণে সৌভাগ্য কড়া নাড়ে দুয়ারে!
রূপকথার ব্রেমেন টাউন মিউজিশিয়ানদের মূর্তি
গ্রিম ভ্রাতৃদ্বয় সংগৃহীত বিখ্যাত জার্মান রূপকথার ‘টাউন মিউজিশিয়ান অব ব্রেমেন’ প্রকাশিত হয় ১৮১৯ সালে। চার গৃহপালিত প্রাণীর গল্প এটি। আজীবন কঠোর পরিশ্রমের পর মালিকদের অবহেলা ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয় তারা। একসময় সংগীতশিল্পী হতে পালায় সবাই! লাটভিয়ার রাজধানী রিগায় সেন্ট পিটার’স চার্চ ও কনভেন্ট ইয়ার্ডের মাঝামাঝি স্কার্নু স্ট্রিটে রয়েছে তাদের সম্মিলিত ভাস্কর্য। গাধার ওপর কুকুর, তার ওপর বিড়াল ও একেবারের ওপরে একটি মোরগ। জনশ্রুতি আছে, চারটি প্রাণীর নাক বা ঠোঁট ঘষলেই ভাগ্য সুপ্রসন্ন!

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code