

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: বিশ্বকে চকম দেখালেন বাইডেন। বড় চমক। রানিং প্রেসিডেন্টকে ভােটের মাধ্যমে গদিচ্যুত করে হোয়াইট হাউসে জায়গা করে নিলেন তিনি। তার এই চলার পথ সহজ ছিল না। ব্যক্তিজীভনে প্রথম স্ত্রী ও নবজাতক কন্যাকে হারান সড়ক দুর্ঘটনায়। পরে আরেক ছেলেকেও হারান মস্তিষ্কের ক্যান্সারে। রাজনৈতিক জীবনেও অনেকবার ধাক্কা খেয়েছেন। কিন্তু থেমে যাননি। দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে হোয়াইট হাউজে যাওয়ার স্বপ্ন তিনি বহুদিন ধরে লালন করে আসছিলেন। অবশেষে সম্ভবত সেই স্বপ্ন পূরণের শেষ চেষ্টায় সফল হলেন । জো বাইডেনের বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী। তার জন্মের আগে তিনি ব্যবসায় সাফল্য পেয়েছিলেন। কিন্তু জো-র জন্মের পর তার ব্যবসায় ধস নামে। বাইডেনের কৈশোর কেটেছে পারিবারিক অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে।
পেনসিলভানিয়ায় খুবই সাদামাটা এক বাসায় যৌথ পরিবারে বড় হয়েছেন তিনি। তার পরিবার ছিল খুব ধার্মিক। ক্যাথলিক মূল্যবোধ ও তার ধর্মবিশ্বাস গড়ে উঠেছিল পারিবারিক ধর্মচর্চ্চার সুবাদে। রাজনৈতিক জীবনে জো বাইডেন তখন সফল তরুণ। মাত্র ৩০ বছর বয়সে দুই মেয়াদে সিনেটার থাকা রিপাবলিকান প্রার্থীকে হারিয়ে তিনি সিনেটে আসন জয় করেছেন। পারিবারিক বিভিন্ন আঘাত সামলে বাইডেন সিনেটের বিচার কমিটিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে নিজেকে আরও তুলে ধরতে শুরু করেন। তবে ১৯৮৮ সালের ওই নির্বাচন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘটনাকে অনেকে তার জন্য শাপে বর বলে মনে করেন। ২০০৮-এর নির্বাচনের প্রার্থিতার দৌড়ে তিনি রাজনীতিতে আর নতুন মুখ নন, তিনি একজন প্রবীণ রাজনীতিক। তবে সেই লড়াইয়ে তিনি সফল হননি। বারাক ওবামা ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পান প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার জন্য। কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে বারাক ওবামা তার ভাইস প্রেসিডেন্ট রানিং মেট হিসেবে বেছে নেন জো বাইডেনকে।