

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রাম যোগীবিল, চেরারপার, লাংলিয়া, শিবপুর নাথপাড়া ও আলীনগর চা-বাগানে বসবাসরত প্রায় ৫-৭ হাজার মানুষ এখনও দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মাত্র দুই কিলোমিটার কাঁচা সড়কের কারণে। স্বাধীনতার পর থেকে সড়কটি পাকা হয়নি, আর বিকল্প পথ না থাকায় এই সড়কই তাদের একমাত্র ভরসা।
সরেজমিনে দেখা যায়, যোগীবিল গ্রামের কনুবাবুর বাড়ি থেকে লাংলিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সেখান থেকে আদমপুর বাজারগামী রাস্তার অবস্থা অত্যন্ত করুণ। বর্ষাকালে হাঁটুসমান কাঁদা, খানাখন্দ ও পাড় ধসের কারণে এ পথ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও রোগীরা এই রাস্তায় যাতায়াত করেন। কিন্তু বর্ষায় পায়ে হেঁটে চলাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে রোগী পরিবহন বা কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে তীব্র সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি রাস্তার দুরবস্থার কারণে বিয়ে পর্যন্ত ভেঙে যায় বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীরা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে বহুবার আবেদন করেছি, কিন্তু প্রশাসনের নজরে আসেনি।”
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিরজনা বেগম হেনা বলেন, “উপজেলা প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানিয়েছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, তবে সময় লাগবে।”
তবে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব ও ইউএনও মাখন চন্দ্র সূত্রধর জানান, বিষয়টি তাদের জানা ছিল না। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
গ্রামবাসীরা বলেন, বারবার আশ্বাসে এখন আর তারা আস্থা রাখতে পারছেন না। তারা চান, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর হলেও যেন তাদের ন্যূনতম চলাচলের অধিকার বাস্তবায়িত হয়। ডেস্ক বিজে