বিদায় বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী অভিনেত্রী কবরী

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual3 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ

করোনা কেড়ে নিল কিংবদন্তী অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীকে। অসমাপ্ত রয়ে গেল তার সিনেমার কাজ। চলে গেলেন চিরদিনের মতো। শুক্রবার রাত ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহী ও্য়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

পর্দার প্রিয় মুখ কবরীর মৃত্যুর তথ্য সমকালকে নিশ্চিত করেছেন তার ছেলে শাকের চিশতী।

কবরী ছিলেন বাংলা সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় চলে গেলেন তিনি। দীর্ঘ অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটা সময় তিনি চলে যান ক্যামেরার পেছনে। শুরু করেন সিনেমা পরিচালনা। তার পরিচালনায় নির্মিত সর্বশেষ ছবিটির কাজ অসম্পূর্ণই রয়ে গেল।

গত ৫ এপ্রিল অভিনেত্রী কবরীর শরীরে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। ওই রাতেই তাকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭ এপ্রিল রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। এরপর ৮ এপ্রিল দুপুরে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে কবরীর জন্য আইসিইউ পাওয়া যায়। ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শেষপর্যন্ত তাকে লাইফসাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।

Manual7 Ad Code

 

 

এদিকে ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতা সারাহ বেগম কবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

শুক্রবার রাতে এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, কবরী ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার মৃত্যু দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। বাংলা চলচ্চিত্রের বিকাশে তার অবদান মানুষ আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

Manual1 Ad Code

রাষ্ট্রপতি মরহুমা সারাহ বেগম কবরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান

Manual2 Ad Code

অপরদিকে বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের চলচ্চিত্রে কবরী এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতি ও সংস্কৃতি অঙ্গনে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

Manual4 Ad Code

 

 

১৯৬৪ সালে ‘সুতরাং’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে নাম লেখান কবরী। ছবিটি পরিচালনা করেন সুভাষ দত্ত। এরপর ‘বাহানা’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘রংবাজ’, ‘সারেং বউ’, ‘সুজন সখী’সহ অনেক কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়েছেন সারাহ বেগম কবরী।

কবরীর জন্ম চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে। ছোটবেলায় তার নাম ছিল মিনা পাল। তার বাবা শ্রীকৃষ্ণ দাস পাল ও মা শ্রীমতি লাবণ্য প্রভা পাল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code