চালের বাজারে অস্থিরতা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual2 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি:জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ৫০ কেজির বস্তায় পরিবহন খরচ গড়পড়তায় পাঁচ টাকা বাড়লেও ব্যবসায়ীরা প্রতিকেজি চালের দাম বাড়িয়েছেন ৪-৫ টাকা। জানা গেছে, ২৫ টন চালবাহী ট্রাকের কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় আসার খরচ ছিল ১৮ হাজার টাকা। তেলের দাম বাড়ার পর সেই হিসাবে প্রতিকেজি চালে খরচ বেড়েছে ১০ পয়সার মতো। কিন্তু প্রথম দফাতেই চালের দাম মাত্রাতিরিক্ত বাড়িয়ে অস্থিরতা তৈরি করা হয়েছে। সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, দেশে গত ৫০ বছরে চালের উৎপাদন বেড়েছে চারগুণ। সার, বীজসহ কৃষি উপকরণে ভর্তুকি, কৃষি গবেষণায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ, বন্যা, খরাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন কর্মসূচিসহ বহুমুখী উদ্যোগের ফলে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। সেই সঙ্গে আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে লাখ লাখ টন চাল। তারপরও স্থিতিশীল হচ্ছে না চালের বাজার। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত মজুত নীতির কারণেই বাড়ছে দাম। অতিরিক্ত দামে ধান কিনে সেটা মিলে নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। সংকট দেখিয়েও বাড়ানো হচ্ছে চালের দাম।
অপরদিকে আমদানির চালও বাজারে আসেনি। এলসির চাল বাজারে ছাড়ছেন না আমদানিকারকরা। এ সুযোগে ওইসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। এই সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে দাম নিয়ে সুসংবাদ পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা। কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়সহ সরকারি বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সরকার ব্যবসায়ীদের কম শুল্কে চাল আমদানির সুযোগ দিয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২০ জুলাই বুধবার পর্যন্ত ৩৮০টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। সেদিন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে দেশে এসেছে তিন হাজার ৬৫০ টন চাল।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code