জানুয়ারিতে লিবিয়ায় তুর্কি সেনা: এরদোগান

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual5 Ad Code

নতুন বছরের প্রথম মাসেই লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা ন্যাশনাল অ্যাকর্ড সরকারের সমর্থনে দেশটিতে তুর্কি সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানালেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোগান। গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ডের (জিএনএ) অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে জিএনএর প্রতিপক্ষ খলিফা হাফতারের বাহিনীর ক্রমবর্ধমান অগ্রযাত্রায় উদ্বিগ্ন আঙ্কারা দেশটিতে সৈন্য পাঠানোর এ তোড়জোড় শুরু করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

Manual6 Ad Code

জিএনএ-র সঙ্গে তুরস্কের মিত্রতা রয়েছে। কিন্তু হাফতারের বাহিনীকে সমর্থন যোগাচ্ছে রাশিয়া, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। লিবিয়ায় এ মেরুকরণ সিরিয়া ইস্যুতে তুরস্ক-রাশিয়ার মৈত্রীতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা অনেক পর্যবেক্ষকের। সিরিয়ায় চলতি বছর তুর্কি অভিযান নিয়েও উদ্বেগ ছিলো মস্কোর।

 

Manual1 Ad Code

চলতি সপ্তাহে মস্কোতে রুশ ও তুর্কি কর্মকর্তাদের আলাপ-আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে লিবিয়া ও সিরিয়া ইস্যুতে। বৃহস্পতিবার ত্রিপোলির জিএনএ সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, তুরস্কের সামরিক সহযোগিতার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আঙ্কারার এ পদক্ষেপ নিয়ে পূর্ব লিবিয়া ভিত্তিক হাফতার বাহিনী এর আগেও বেশ কয়েকবার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

লিবিয়ায় তুর্কি সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও মিশর। বৃহস্পতিবার দেশ দুটির প্রেসিডেন্টের টেলিফোন আলাপে লিবিয়ায় বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এদিকে আঙ্কারার এ সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে রাশিয়াও। বৃহস্পতিবার লিবিয়া নিয়ে ‍রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে জুসেপ্পে কন্তের কথা হয়েছে বলে ক্রেমলিন জানিয়েছে।

Manual4 Ad Code

উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে সেনা পাঠানো সংক্রান্ত বিলটি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তুরস্কের পার্লামেন্টে উঠবে বলে অনুমান করা হচ্ছে; সেখানে অনুমোদিত হলে যত দ্রুত সম্ভব সৈন্য পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন এরদোগান।

 

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code