

ডেস্ক রিপোর্ট: জান্নাত—যেখানে নেই কষ্ট, নেই মৃত্যু, নেই দুঃখ বা হতাশা। মানুষ সেখানে পাবে সীমাহীন আনন্দ, অপার শান্তি ও চিরন্তন সুখ। কোরআন ও হাদিসে জান্নাতের অসংখ্য নিয়ামতের বর্ণনা এসেছে, বাগান, নদী, অমর যৌবন, সুন্দর পোশাক, মনোরম খাবার ও অনন্ত প্রশান্তি। কিন্তু এসবের চেয়েও মহান, শ্রেষ্ঠ ও অনন্য এক নিয়ামত আছে, তা হলো আল্লাহর দর্শন। জান্নাতের সাধারণ নিয়ামতসমূহ: কোরআনে আল্লাহ তায়ালা জান্নাতের সৌন্দর্য এভাবে বর্ণনা করেছেন, “যারা ইমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জান্নাতের বাগানে প্রবেশ করানো হবে, যার তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হবে। সেখানে তাদের জন্য থাকবে সোনার কঙ্কন ও মুক্তার অলঙ্কার, আর তাদের পোশাক হবে রেশম।” (সুরা হাজ্জ, আয়াত: ২৩)
অন্যত্র বলেন, “তাদের জন্য থাকবে যা তাদের প্রাণ চায় এবং যা তারা চায় তা-ই সেখানে থাকবে।” (সুরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৩১) অর্থাৎ জান্নাতে মানুষ পাবে প্রতিটি প্রিয় জিনিস, কিন্তু সেই আনন্দও চোখে দেখা আর হৃদয়ে অনুভূত আল্লাহর দর্শনের আনন্দের সামনে তুচ্ছ। জান্নাতের সর্বোচ্চ নিয়ামত: আল্লাহর দর্শন রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, “যখন জান্নাতবাসীরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আল্লাহ তায়ালা তাঁদেরকে বলবেন, ‘তোমরা কি কিছু চাও?’ তারা বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি তো আমাদের মুখ উজ্জ্বল করেছেন, আমাদের জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন, জাহান্নাম থেকে রক্ষা করেছেন—এ ছাড়া আর কী চাইব?’ তখন আল্লাহ তায়ালা পর্দা উঠিয়ে দেবেন, আর জান্নাতবাসীরা তাদের প্রভুকে দর্শন করবে। আল্লাহর দর্শনের চেয়ে অধিক প্রিয় কোনো নিয়ামত তাদের কাছে থাকবে না।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮১) এ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “সেই দিন অনেক মুখমণ্ডল উজ্জ্বল থাকবে, তারা তাদের প্রতিপালকের দিকে তাকিয়ে থাকবে।” (সুরা কিয়ামাহ, আয়াত: ২২–২৩)