ঝুঁকির মুখে কমলগঞ্জের ধলাই ব্রিজ 

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual2 Ad Code
কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ 
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নে ধলাই নদী থেকে অপরিকল্পিত ভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু উত্তোলন করার কারনে দেওড়াছড়ায় ধলাই ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে ভয়াবহ দূর্ঘটনা।
জানাযায়, বালু মহাল ইজারা প্রদান করা হয়, ধর্মপুর মৌজার দাগ নং ৪/১১/৩১/৭৭/৮৭/৯৭/১১১/১২০/১৩৩/১৬৬/১১৮৩ এবং রামচন্দ্রপুর মৌজার ১২৪৪/১২৭৬ নং দাগের এলাকা। ইজারাদাররা ইজারা বহিভূত এলাকা রহিমপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বিষ্ণুপুর ও ৭নং ওয়ার্ড রামচন্দ্রপুর মৌজার ১১৩৭ দাগ এলাকা থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করছেন। ইজারাদারা ইজারা বহিভূত এলাকা থেকে অবৈধভাবে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন করছেন। অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারনে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে। এছাড়া সরেজমিনে আরো দেখা যায়, ইজারাদাররা বিধি বহিভূত ভাবে দেওরাছড়া এলাকায় ধলাই নদীর ব্রীজ থেকে ২০ ফুট দূরে ২ টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করার কারনে ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে। যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে ভয়াবহ দূর্ঘটনা।  আরো জানা গেছে, ২০১০ সালে প্রণীত বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের চার নম্বর ধারার (খ) উপধারায় বলা আছে সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, ব্যারেজ, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, বন, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা হলে অথবা আবাসিক এলাকা থেকে সর্বনিম্ন এক কিলোমিটার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত সীমানার মধ্যে হলে বালু উত্তোলন করা যাবে না।
(গ) উপধারায় বলা আছে, বালু বা মাটি উত্তোলন বা বিপণনের উদ্দেশ্যে ড্রেজিংয়ের ফলে কোনো নদীর তীর ভাঙনের শিকার হতে পারে এরুপ ক্ষেত্রে ও বালু উত্তোলন করা যাবে না।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলার কর্মকর্তা জনাব আশেকুল হক বলেন আমাদের কাছে এ বিষয়ে কিছু অভিযোগ আছে আমি নিজে সরোজমিনে এ বিষয়ে নজরদারি রাখছি এ ধরনের নিয়মবহির্ভূত ভাবে কেউ যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে থাকে তাহলে অবশ্যই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code