টেকসই সমাধান প্রয়োজন

লেখক: Nopur
প্রকাশ: ২ years ago

Manual6 Ad Code

সম্পাদকীয় : প্রতিবছর শীতকালে রাজধানীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। জানা যায়, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন কারখানায় আবারও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। গত কয়েক মাস ধরেই গ্যাসের অভাবে ওই এলাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে; বহু প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কমে তা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিককে বিপুল অঙ্কের লোকসান গুনতে হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় বহু প্রতিষ্ঠানের পণ্য রপ্তানি অর্ধেকে নেমে এসেছে। রাতে সামান্য গ্যাস এলেও তা কোনো কাজে লাগছে না উদ্বেগজনক বিষয় হলো, দীর্ঘদিন ধরে এমন সমস্যা বিরাজ করলেও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ তেমন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। এতে কারখানার মালিকরা হতাশায় ভুগছেন। জানা যায়, রাজধানীর শ্যামপুর, কদমতলী ও জুরাইনেও চলছে তীব্র গ্যাস
সংকট। সকাল ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব এলাকায় একেবারেই গ্যাস মিলছে না। রাত ১২টার পর গ্যাস এলেও ভোরের আগেই তা চলে যায়। গ্যাসের তীব্র সংকট রয়েছে এ এলাকার শিল্প-কারখানাতেও। সরেজমিনে দেখা গেছে, জুরাইন, পোস্তগোলা, শ্যামপুর,কদমতলী, যাত্রাবাড়ী, বিশেষ করে শ্যামপুর, জুরাইন ও কদমতলী থানা এলাকায় গ্যাস সংকট নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকার বাসিন্দারা জানান, অধিকাংশ বাড়িতেই দিনের বেলা গ্যাস থাকছে না। মধ্যরাতে গ্যাস খানিকটা এলেও ভোরের আগেই তা চলে যায়। রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানার গ্যাস সংকট দূর করা না হলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। এতে ডলার আয় কমে গেলে এর প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। চাহিদামাফিক পণ্য সময়মতো সরবরাহ করতে না পারলে কিংবা পণ্যের গুণগত মান ঠিক না থাকলে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দিতে, এমনকি বাতিলও করতে পারেন। শিল্প মালিকরা বলছেন,
একদিকে ডলার সংকট, অন্যদিকে গ্যাসের সংকট চলতে থাকলে এ সেক্টরে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে। এ অবস্থায় গ্যাস সংকট কাটাতে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। উদ্বেগের বিষয় হলো, শিগ্গিরই শিল্প এলাকার গ্যাস সংকট কমার সম্ভাবনা দেখছেন না রাজধানীর শ্যামপুর, কদমতলী ও জুরাইন এলাকায় গ্যাস সরবরাহে নিযুক্ত কর্মকর্তারা। জানা যায়, তিতাসের সব এলাকাতেই গ্যাসের স্বল্পতা রয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code