

লন্ডন অফিস: ১৯৯৭ সালে অংশীদারদের কাছে পাঠানো প্রথম চিঠিতে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস লিখেছিলেন, এটি এখনো তার প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘প্রথম দিন’। পরে তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন, দ্বিতীয় দিনের অর্থ হবে স্থবিরতা, তারপরে অপ্রাসঙ্গিকতা। আত্মতুষ্টি এড়াতে বেজোসের সেই উচ্ছ্বসিত আহ্বান আজ যথার্থ বলেই মনে হয়।
সিলিকন ভ্যালির পাঁচ টেক জায়ান্ট অ্যালফাবেট, অ্যামাজন, অ্যাপল, মেটা এবং মাইক্রোসফট। অনেকদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার ও অর্থনীতির মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে তারা। আশ্চর্যজনকভাবে নির্ভরযোগ্য প্রবৃদ্ধি ও মুনাফার সমন্বয় ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু একটি ঝঞ্ঝাটপূর্ণ তৃতীয় প্রান্তিকের পরে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সম্মিলিতভাবে তাদের বাজার মূলধন ৩৭ শতাংশ কমে গেছে। সংখ্যায় হিসাব করলে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় ৩ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার উধাও হয়েছে।
ল’জ অব লার্জ নাম্বার বা বৃহৎ সংখ্যার আইন বলছে, টেক জায়ান্টরা পরিপক্ব হবে, তা অবধারিত। গত প্রান্তিকে তাদের বিক্রয় বৃদ্ধির হার কমে নয় শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা মূল্যস্ফীতির হারের চেয়ে সামান্য বেশি। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠান একটি অর্থনৈতিক চক্রে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। স্মার্টফোন, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ও স্ট্রিমিং দুনিয়ায় অনুপ্রবেশের হার বেড়েছে। অর্থাৎ, মূল ব্যবসায় ধীরগতির পাশাপাশি টেক জায়ান্টরা একে অপরের ব্যবসায় অনুপ্রবেশ করছে এবং প্রতিযোগিতা বাড়াচ্ছে।