ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে তাইওয়ান ইস্যু তুললেন শি

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

Manual3 Ad Code

আমেরিকা অফিস: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
বেইজিংয়ের সময় সোমবার রাতে দুই নেতার এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যম সিএমজি এ খবর জানিয়েছে। ফোনালাপে ট্রাম্পকে শি জিনপিং বলেছেন, গত মাসে আমরা দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে বৈঠক করি এবং বিভিন্ন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্যে পৌঁছাই, যা চীন-মার্কিন সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন চালিকাশক্তি যুগিয়েছে এবং বিশ্বের কাছে ইতিবাচক সংকেত পাঠিয়েছে। বুসান বৈঠকের পর থেকে চীন- মার্কিন সম্পর্ক মূলত স্থিতিশীল আছে ও তা ভালোর দিকে যাচ্ছে এবং দু’দেশ ও আন্তর্জাতিক সমাজ এ প্রবণতাকে স্বাগত জানিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করলে উভয়ের লাভ এবং লড়াই করলে উভয়েরই ক্ষতি।

Manual8 Ad Code

শি আরও বলেছেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র পরস্পরকে সাফল্য ও সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করতে পারে, যা একটি বাস্তবতা। দু’পক্ষের উচিত, এ প্রবণতা বজায় রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। সাম্য ও পারস্পরিক সম্মান ও কল্যাণের ভিত্তিতে, সহযোগিতা বাড়ানো ও সমস্যা কমানো, আর অগ্রগতি অর্জন করা এবং দু’দেশের মানুষ ও বিশ্বের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনা। ফোনালাপে তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিং চীনের অবস্থান আবারও তুলে ধরে বলেন, চীনের কাছে তাইওয়ানের প্রত্যাবর্তন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ফ্যাসিবাদ ও সামরিকবাদের বিরুদ্ধে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একসময় একসাথে লড়াই করেছিল এবং দু’পক্ষের উচিত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অর্জনকে রক্ষা করা।

Manual7 Ad Code

জবাবে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মহান একজন নেতা এবং বুসানে দু’জনের বৈঠক ছিল মনোরম। দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে তিনি সম্পূর্ণ একমত হন। ট্রাম্প বলেন, বুসান বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন করছে দু’পক্ষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ে চীন বড় অবদান রেখেছে এবং চীনের কাছে তাইওয়ান ইস্যুর গুরুত্ব আমেরিকা বোঝে। এ সময় দু’নেতা ইউক্রেন সংকট নিয়েও কথা বলেন। শি জিনপিং জোর দিয়ে বলেন, শান্তি অর্জনের সব প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে চীন। আশা করা যায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মতভেদ কমিয়ে যত দ্রুত সম্ভব একটি ন্যায্য, স্থায়ী ও কার্যকর চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিদ্যমান সংকটের সমাধান করবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code