ডিজিটাল বুথে জমির খতিয়ান হলে কাজের গতি বাড়বে

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual8 Ad Code

সম্পাদকীয়:

Manual3 Ad Code

জমির খাতিয়ান ডিজিটাল বুথের মাধ্যমে জনগণের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়, তাকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা আশা করব, জমি নিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে। খতিয়ান হলো জমির মালিকানা স্বত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ সনদ। এটিকে ‘রেকর্ড অব রাইটস’ (আরওআর) বা স্বত্বলিপিও বলা হয়ে থাকে। এক বা একাধিক দাগের সম্পূর্ণ বা আংশিক ভূমি নিয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তির নামে সরকার বা রাজস্ব অফিসার কর্তৃক যে ভূমিস্বত্ব প্রস্তুত করা হয়, সেটাই খতিয়ান।

Manual2 Ad Code

জমির মালিকানা প্রমাণে এটি অন্যতম দালিলিক প্রমাণপত্র। প্রচলিত পদ্ধতিতে ভূমি অফিস থেকে এই খতিয়ান পেতে সাধারণ মানুষকে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। ডিজিটাল বুথের মাধ্যমে খতিয়ান সরবরাহের ব্যবস্থা করা হলে জনগণের এ ভোগান্তির অবসান হবে।

Manual1 Ad Code

সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাইজড করার উদ্যোগ নিয়েছে। খতিয়ানের সঙ্গে জমির নামজারির (মিউটেশন) বিষয়টি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। প্রচলিত পদ্ধতিতে নামজারির জন্য ভূমির মালিককে দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নির্ধারিত ফির সঙ্গে জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র এসি ল্যান্ড কার্যালয়ে জমা দিতে হয়। সেখান থেকে তা পাঠানো হয় তহশিলদারের কার্যালয়ে।

তহশিলদার সন্তুষ্ট হলে তা পাঠানো হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। এরপর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়া হয়। এ প্রক্রিয়ায় জড়িত হন ভূমি অফিসের নাজির। এছাড়া জমির ক্রেতা-বিক্রেতাকে ল্যান্ড ট্রান্সফার নোটিশ দেওয়া হয়। এ দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় সবকিছু ঠিক থাকার পরও ভূমির মালিককে নামজারির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। এসব ঝামেলার পাশাপাশি অভিযোগ রয়েছে, ভূমি অফিসের প্রায় প্রতিটি ধাপে ঘুস দিয়েও সেবাপ্রার্থীকে নানা রকম হয়রানির শিকার হতে হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code