

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: সদ্য বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ ৫ হাজার ২০৮ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হলেও আগামী অর্থবছরে রফতানি আয় কমে যেতে পারে। ইতোমধ্যে রফতানি অর্ডার কমতে শুরু করেছে। গার্মেন্টস খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় পোশাক না কেনার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত থাকার পাশাপাশি করোনার নতুন ঢেউয়ের কারণেও শঙ্কা বাড়ছে দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে। এর সঙ্গে চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা তো রয়েছেই। অনেকেই বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় সার্বিকভাবে একটি অনিশ্চিত পরিস্থিতির দিকে যেতে হচ্ছে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের। ইতোমধ্যে পশ্চিমা ভোক্তারা তাদের ব্যক্তিগত খরচেও বেশি হিসেবি হয়ে উঠেছেন। যে কারণে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে ওয়ার্ক অর্ডারের সংখ্যা ২০ শতাংশের মতো কমেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।