

লন্ডন প্রতিনিধি: অবসর সময়কে গুরুত্ব দেওয়া বয়স্ক জনসংখ্যা অর্থনৈতিক স্থবিরতা মঞ্চ প্রস্তুত করেছেন। এরপর এসেছে কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধ।
ইউরোপীয়রা নতুন এক অর্থনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছে, যে অভিজ্ঞতা তারা গত কয়েক দশকের মধ্যে পায়নি। তারা দরিদ্র হচ্ছে।
ইউরোপ মহাদেশের জীবনধারাকে ‘জীবনযাপনের শিল্প’ হিসেবে ঈর্ষা করতেন বহিরাগতরা। কিন্তু ইউরোপীয়দের ক্রয় ক্ষমতা কমতে থাকায় দ্রুত তারা এই ঔজ্বল্য হারাচ্ছে।
ফরাসি কম ফুয়া গ্রা (হাঁসের কলিজার বিশেষ খাবার) খাচ্ছে এবং কম লাল ওয়াইন পান করছে। স্প্যানিয়ার্ডরা ওলিভ তেল ব্যবহারে কৃচ্ছতা দেখাচ্ছে। ফিনদের আহ্বান জানানো হয়েছে বাতাস থাকা দিনগুলোতে যখন বিদ্যুৎ কম ব্যয়বহুল তখন সনাজ (উষ্ণতা উপভোগের বিশেষ কক্ষ) ব্যবহার করতে। জার্মানিজুড়ে মাংস ও দুধ ভোগ তিন দশকের মধ্যে তলানিতে পৌঁছেছে এবং এক সময় দ্রুত ছড়ানো ওর্গানিক খাবারের বিক্রি একেবারে কমে গেছে।
ইতালির অর্থনৈতিক উন্নয়নমন্ত্রী আডোলফো উরসো মে মাসে দেশটির জনপ্রিয় খাবার পাস্তার চড়া মূল্য নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক করেছেন। দেশের জাতীয় মূল্যস্ফীতির তুলনায় দ্বিগুণের বেশি মূল্যবৃদ্ধির পর এই বৈঠক হয়েছিল।