

দশমিনা (পটুয়াখালী) :
নদী ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় শত শত একর জমি নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। বুড়াঁগৌরাঙ্গ ও তেঁতুলিয়া নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে চাষযোগ্য ফসলি জমি কমে যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজীর হাট, ঢনঢনিয়া, আমবাড়িয়া, উত্তর বাশঁবাড়িয়া, চর বাশবাড়িয়া, চর ভুথাম, চর-বোরহান, চর-শাহজালাল, রণগোপালদী, আউলিয়াপুর, পাতার চর, পশ্চিম আলীপুর ও চর হাদিসহ তেতুুঁলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ভাঙ্গনে মানচিত্র পাল্টে যাচ্ছে। অপর সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে উপজেলার বীজ বর্ধন খামার, বাঁশবাড়িয়ার ঢনঢনিয়া, হাজির হাট, চরহাদি ও চরবোরহানসহ মোট ১০হাজার ৭শ’ ৯৪ একর জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দেশের সর্ববৃহত বীজ বর্ধন খামারের আওতায় ১ হাজার ৪৪ একর জমি অধিগ্রহন করা হলেও এবছর চাষাবাদ করা হয় সাড়ে ৩শ’ একর জমি। নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ৬শ’ ৯৪ একর জমি। নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে ঢনঢনিয়া ও হাজির হাট এলাকার ৫শ’ একর ফসলী জমি, চরহাদির ৪শ’ একর এবং চরবোরহানে ২শ’ একর জমি। এদিকে উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের জরিপে আবাদযোগ্য জমির পরিমান ছিল ১৮হাজার ৮শ’ ১০ হেক্টর। এক ফসলি জমি ১হাজার ৬ হেক্টর, দু’ ফসলি ১৪ হাজার ৩শ’ ৪১হেক্টর, তিন ফসলি ৩ হাজার ৪শ’ হেক্টর। দশমিনায় মোট খাদ্য উৎপাদন হয় ৫৮হাজার ৩শ’ ৩৪ মেট্রিক টন। ওই সালের লোকসংখ্যা অনুসারে দশমিনায় খাদ্যের চাহিদা ২০হাজার ৮শ’ ২৯ মেট্রিক টন। উদ্ধৃত্ত থাকে ৩৪হাজার ২শ’ ৭৯ মেট্রিক টন। লোকসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বাসাবাড়ি র্নিমানের কারনে দিন দিন ফসলী জমি কমে যাচ্ছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বনি আমিন খান বলেন, নতুন বাড়িঘর নির্মাানের বিষয় বিধি বিধান তৈরি করার জন্য বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রতি বছর ভূমি জরিপ করা হলে প্রকৃত জমির সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন।