দুই গ্রাম, ঘড়িষার বাজার ও আতœীয়ের বাড়ি লকডাউন

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual4 Ad Code

শরীয়তপুর প্রতিনিধি :
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় শতভাগ বাড়িতে বিদেশ প্রবাসি । সেই এলাকায় গত শনিবার করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়ে এক বৃদ্ধ মৃত্যুবরন করায় ২টি গ্রাম, একটি বাজার ও দুই আতœীয়ের বাড়ি লকডাউন করে রাখা হয়েছে। ঐ এলাকায় আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য ,স্বাস্থ্য বিভাগের সদস্য ছাড়া অন্যকেউ ঢুকতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ঐ এলাকা গুলোতে আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন সার্বক্ষনিক প্রহরায় রয়েছে।তাদেরপ্রয়োজনী পন্য জনপ্রতিনিধিরা প্রশাসনের সহযোগিতায় সরবরাহ করবেন।
নড়িয়া থানা ও জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরপাড়া গ্রামের আমান উল্লাহ বেপারী (৯০) করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে শনিবার ঢাকায় উত্তরা কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে মৃত্যুবরন করেছেন। সে ২৬ মার্চ এর পূর্বে ঢাকা মিরপুর টোনারবাগ এলাকায় তার বড় ছেলের বাসায় বেড়াতে গিয়ে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়ি ফিরেন।গত ১ এপ্রিল তার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে তাকে পরিবারের লোকজন নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। এ সময় তার নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর পরীক্ষাগারে প্রেরণ করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। শনিবার সকাল ১১টায় সে মারা যায়। এ সময়ের মধ্যে তার পরীক্ষার রিেেপার্টে করোনা সনাক্ত হয়। এটা নিশ্চিত হওয়ার পর গতকাল শনিবার রাত থেকে ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের থিরপাড়া ও ঘড়িষার ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া গ্রামের ৩৩ পরিবারের ১৮০জন । যেখানে মৃত আমান উল্লাহ বেপারীর ছোট ছেলে সোহাগ বেপারী ব্যবসা করতেন সেই ঘড়িষার বাজার ,ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার ডিএমখালী ইউনিয়নের হকপুর মৃতার ভাই মৃত আজাহার বেপারীর বাড়ি ,একই উপজেলার চরসেনসাস ইউনিয়নে মৃতার মেয়ের জামাই শাহিন বালার বাড়ি লকডাউন করে রাখা হয়েছে। সেখানে পুলিশসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী ছাড়া অন্য কাউকেই ঢুকতে দেয়া হচ্ছেনা। ঐ এলাকা গুলোতে আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকজন সার্বক্ষনিক প্রহরায় রয়েছে। লকডাউন করা এলাকারন মানুষ আতংকের মধ্যে বসবাস করছে। ঐ সব এলাকায় নিত্যপণ্য বা খাদ্যের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ এর জনপ্রতিনিধিদের সরবরাহ করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
এ ব্যাপারে নড়িয়া থানার ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন,মৃত আমান উল্লাহ বেপারী জীবিত থাকতে ওনার সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদের বাড়ি ঘর নিজ গ্রাম পাশের গ্রাম ও ঘড়িষার বাজার লকডাউন করে রাখা হয়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের (এমওডিসি) ডাঃ আঃ রশিদ বলেন, ঐ লোকটা করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন। একারনে আমরা ঐ সব এলাকায় লকডাউনের সুপারিশ করেছি। ফলে শনিবার রাত থেকে লকডাউন কার্যকর হয়েছে।
নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্তি রুপা রায় বলেন, থিরপাড়া ও বাড়ৈপাড়া গ্রামের ৩৩ পরিবারের ১৮০ জন সহ ওনার দুই আতœীয় বাড়ি ও ঘড়িষার বাজার লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। অধিক সতর্ক থাকার জন্য এলাকায় ব্যাপক মাইকির্ং করা হচ্ছে। যাতে কেউ ঘর থেকে বের না হয়।কোন খাবার বা নিত্যপন্য প্রয়োজন হলে প্রশাসনের সহায়তায় জনপ্রতিনিধিরা সরবরাহ দিবেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code