দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual6 Ad Code

সম্পাদকীয়: দেশের উন্নয়নে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এ খাতের উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।

Manual8 Ad Code

কাজেই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের সমস্যার সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এ খাতে ব্যবসা পরিচালনায় ব্যবসায়ীদের নানা সময় ঘুস দিতে হয়। তাদের চাঁদাবাজিরও শিকার হতে হয়। সম্প্রতি এসএমই খাতের দুর্নীতি নিয়ে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) এক রিপোর্টে এ ধরনের আরও অনেক সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
এসএমই খাতের ব্যবসা পরিচালনায় অবকাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে। এ খাতে ঋণের প্রবাহ ঠিক নেই। যেহেতু এসব ব্যবসায়ীর অনেকের প্রযুক্তিজ্ঞান সীমাবদ্ধ, সেহেতু তাদের প্রযুক্তিজ্ঞান বাড়াতে পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশের এসএমই উদ্যোক্তাদের ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই মনে করেন এ খাতে দুর্নীতির ব্যাপক বিস্তার রয়েছে। কাজেই এ খাতের বিকাশের স্বার্থে দুর্নীতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনাময় খাত হচ্ছে এসএমই। দুর্নীতি এ খাতের উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে সীমিত করে দেয়। কাজেই দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

সম্প্রতি বায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে দেশে পণ্য আমদানি জ্যামিতিক হারে বেড়েছে। এক সময় বায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি করা হতো। এখন এসব পণ্যের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ভোগ্যপণ্যও আমদানি করা হচ্ছে। ফলে এ ঋণের ওপর চাপ বাড়ছে। জানা যায়, ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বায়ার্স ক্রেডিটের মোট স্থিতি স্থানীয় মুদ্রায় ২ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এদিকে নানা পদক্ষেপ নেওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এসব তথ্য থেকেই স্পষ্ট, দেশে আমদানিনির্ভরতা কাটানো কতটা জরুরি হয়ে পড়েছে। আমদানিনির্ভরতা কাটাতে হলে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code