ধামইরহাটের চার ইউনিয়নবাসীর ভরসা বাঁশের সাঁকো

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

নওগাঁ :
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার পশ্চিমে খেলনা ইউনিয়ন ও আলমপুর ইউনিয়নের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে আত্রাই নদী। এক সময়ের খর¯্রােতা এই নদী এখন মৃতপ্রায়। খরা মৌসুমে নদীতে চর জেগে ওঠে। আর চরে চাষ হয় করলা, খিরা ও তরমুজ। প্রত্যেক বর্ষা মৌসুমে নদীর দু’কুল ভেঙ্গে প্রসারিত হয়ে থাকে নদী। নদীর পশ্চিমে ধামইরহাট উপজেলার ২টি ইউনিয়ন অবস্থিত। খেলনা ইউনিয়ন ও আলমপুর ইউনিয়নের মাঝখানে রাঙ্গামাটি অংশে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলে লোকজনের নদী পারাপার। নদীর পশ্চিমে খেলনা, আগ্রাদ্বিগুন ছাড়া পতœীতলা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর, শিহাড়াসহ কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ তাদের প্রয়োজনে এই বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে নদী পারাপার হয়ে থাকে।

বর্ষাকালে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে বেড়ে যায় ভোগান্তি, ব্যবহৃত হয় নৌকা। এই এলাকার মানুষের নিকটবর্তী হাট-বাজারে পন্য আনা-নেয়া করতে চরম বিপাকে পড়তে হয়। সেখানে একটি সেতু না থাকায় পন্য পরিবহনে ব্যাপক খরচ ও হয়রানীর শিকার হতে হয় ভুক্তভোগীদের। জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব করতে জাতীয় সংসদের হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার বাবলু এমপির নির্দেশে ইতোমধ্যে সেতুর পয়েন্ট নির্ধারণ করে ২৫০ মিটারের সেতুর নকশা ও প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং তা একনেকের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে বলে ধামইরহাট উপজেলা প্রকৌশলী আলী হোসেন জানিয়েছেন।

Manual3 Ad Code

তিনি আরও জানান, ১শ’ মিটারের অধিক লম্বা সেতুর ক্ষেত্রে অধিক সমীক্ষার প্রয়োজন পড়ে। আলমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান ও খেলনা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম জানান, সেতুটি নির্মাণ হলে এলাকার হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। নিভৃত পল্লী এলাকার মানুষের প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হবে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহনে খরচ যেমন কম হবে তেমনি কৃষকরা তাদের পন্যের উপযুক্ত মুল্যে শহর বাজারে বিক্রি করতে পারবেন

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code