ধুনটে পল্লী বিদ্যুতের মিটার চুরি

লেখক:
প্রকাশ: ৭ years ago

Manual2 Ad Code

রফিকুল আলম, ধুনট (বগুড়া)
মিটার চোর চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের শিল্প মিটারের গ্রাহক কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। মিটার চুরি করে চাঁদা আদায় করছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। চাঁদা আদায়ের পর সেই মিটার আবার মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। চুরি করা মিটার ফেরত দিতে ৫থেকে ৭হাজার টাকা করে আদায় করছে চক্রটি।

ধুনট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস ও গ্রাহক সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৩০০ থ্রি ফেজ শিল্প মিটারের গ্রাহক রয়েছে। চালকল, স-মিল, ইটভাটা কিংবা গভীর নলকূপ-যেখানে বিদ্যুৎ বেশি লাগে সেখানে ব্যবহার করা হয় থ্রি ফেজ এই মিটার। অভিনব কায়দায় এ সব মিটার চুরির হিড়িক পড়েছে। বুধবার রাতে ২টি চালকল ও ১টি সেচযন্ত্র থেকে ৩টি মিটার চুরি করেছে।

Manual5 Ad Code

এরমধ্যে উপজেলার পশ্চিম গুয়াডহরী গ্রামে গোলাম রব্বানীর দুই ভাই চালকল থেকে ১টি, একই এলাকার বড়বিলা গ্রামের রবিউল হক সবুজের সরকার চালকল থেকে ১টি ও একই মালিকের গভীর সেচযন্ত্র থেকে ১টি মিটার চুরি হয়েছে। গত বছরের অক্টোবর মাসে উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে একই কৌশলে ৮টি শিল্প মিটার চুরি করেছে দূর্বৃত্তরা।

Manual6 Ad Code

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ‘মিটার পাবে’ উল্লেখ করে একটি কাগজের চিরকুটে মোবাইল নম্বর লিখে চুরি করা মিটারের স্থানে ফেলে রেখে যায় দূর্বৃত্তরা। মিটার চুরি যাওয়া স্থান থেকে প্রাপ্ত মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা হলে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বিকাশ করলে চুরির মিটার ফেরৎ দেয়া হবে বলে জানায় দুর্বৃত্তরা। এতে করে শিল্প মিটারের গ্রাহকদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে দুই ভাই চালকলের মালিক গোলাম রব্বানী বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ অফিস থেকে থ্রি ফেজের একটি শিল্প মিটার পেতে খচর হয় ২৫-২৭ হাজার টাকা। আমার চালকল প্রতিষ্ঠান থেকে একটি মিটার চুরি হয়েছে। আমার নিকট বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে ৭ হাজার টাকা দাবী করেছে। কিন্ত দূর্বৃত্তদের টাকা না দিয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

Manual2 Ad Code

ধুনট পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মাহবুব জিয়া বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। মিটার চুরি গেলে পল্লী বিদ্যুতের কোনো দায়ভার নেই। পল্লী বিদ্যুৎ চলে একটি নীতিমালার ওপর। তবে আমরা গ্রাহককে দ্রুত সেবা দিতে প্রস্তুত আছি। আর চুরির ঘটনা দেখার দায়িত্ব আইন-শৃংখলা বাহিনীর কাজ।

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন বলেন, একই বিকাশ নম্বর ব্যবহার করে ৩টি মিটার চুরির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Manual6 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code