

ডেস্ক নিউজ: নওগাঁ জেলার কুসুম্বা গ্রামে প্রাচীন এ মসজিদের অবস্থান। ১৫৫৮ (খ্রি.) আফগান শাসক গিয়াস উদ্দীন বাহাদুর শাহের আমলে জনৈক সোলাইমান এ মসজিদ নির্মাণ করেন। মসজিদের দৈর্ঘ্য ৫৮ ফুট প্রস্থ ৪২ ফুট এবং ওপরে দুই সারিতে ৬টি গোলাকার গম্বুজ রয়েছে। মসজিদের চার কোণে খাঁজ কাটা ৪টি স্তম্ভ ও প্রবেশদ্বারে সুদর্শন তিনটি খিলান রয়েছে। মসজিদের ইটের দেওয়ালের উভয় পাশ পাথর দ্বারা আবৃত। মসজিদের গায়ে খুদাই করে বিভিন্ন লতা পাতার কারুকার্য এর সৌন্দর্যকে আরও বৃদ্ধি করেছে। দেখে যেন মনে হয় শিল্পীর হাতে আঁকা ছবি।
মিনারের এক পাশে একটি উঁচু আসন রয়েছে। ধারণা করা হয় তৎকালীন বিচারকরা এখানে বসে বিচার কাজ পরিচালনা করতেন। মসজিদের কার্নিশ বিভিন্ন কারুকার্যে সজ্জিত। মসিজদের সম্মুখ ভাগে প্রায় ৭৭ বিঘা জমির ওপর রয়েছে বিশাল জলাশয় এবং দৃষ্টিনন্দন ঘাট। যা দর্শানর্থীদের মুগ্ধ করে। দূরদূরান্ত থেকে অনেক পর্যটক এসে এখানে গোসল করেন।
মসজিদের এক পাশে রান্নার জন্য সিড তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সিডের দুই সারিতে ৩০টি চুলা রয়েছে। অনেকেই মান্নত করে এখানে রান্নাবান্না করে লোকজনকে খাওয়ান। ১৮৯৭ সালে ভূমিকম্পে মসজিদটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ এটি সংস্কার করে।