কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ এই সদস্য এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) শীর্ষ নেতা জিও নিউজের ‘নয়া পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে বলেন, নওয়াজকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় একটি কক্ষে ছয় থেকে আটজন জ্যেষ্ঠ পিটিআই নেতাদের একজন ছিলেন তিনি। তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিদেশে যেতে দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে মতপার্থক্য ছিল। প্রধানমন্ত্রী (ইমরান খান) হাসপাতালের চিকিৎসা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নওয়াজ শরিফকে চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়ার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, এটা সঠিক নয়।
এ সময় অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শাহজাদ ইকবাল উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বিচার বিভাগকে দোষারোপ করেছিলেন। আসাদ উমরের কাছে শাহজাদ ইকবাল জানতে চান, নওয়াজকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি আসলে কার ছিল। একই প্রশ্নের উত্তরে ‘ডন’কে আসাদ ওমর বলেন, সরকার নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ স্বাধীন। নওয়াজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত শুধু প্রধানমন্ত্রী নিয়েছিলেন।
দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে নওয়াজ শরিফ ২০১৯ সালের নভেম্বরে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন। ‘যথাযথ মেডিকেল রিপোর্ট’ এর ভিত্তিতে নওয়াজকে বিদেশে যেতে দেওয়া হয়েছে বলে ইমরান খানের সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল।
বিদেশে যাওয়ার আগে নওয়াজ শরিফ লাহোরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী ইমরান দাবি করেছিলেন যে তিনি গোপনে নওয়াজের স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পাঠিয়েছিলেন।
আসাদ ওমর ‘ডন’কে বলেন, শরিফকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে যাঁরা সমর্থন করেছিলেন, তাঁদের মধ্য তিনি ছিলেন।
