নতুন নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করতে সম্মত অস্ট্রেলিয়া-ইন্দোনেশিয়া

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করতে সম্মত হয়েছে। এতে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতার কথা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।  বুধবার সিডনিতে আলোচনার পর দুই দেশের নেতারা এ তথ্য জানান।

Manual5 Ad Code

ক্যানবেরা দীর্ঘদিনের মিত্র ওয়াশিংটনের আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এটি এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান চীনের শক্তি রোধ করার প্রয়াসে তার সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী করেছে।

তবে জাকার্তা নিরপেক্ষতা অবলম্বন করেছে। দেশটি ওয়াশিংটনের খুব বেশি কাছে আসার বিষয়ে সতর্ক থেকেছে এবং বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকতেও খুব কমই অভিপ্রায় দেখিয়েছে।

সিডনির একটি রয়েল অস্ট্রেলিয়ান নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে  অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে বক্তৃতাকালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর বলেন, সাধারণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি নতুন দ্বিপাক্ষীয় চুক্তির বিষয়ে তাদের এক আলোচনা বাস্তবসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

আলবানিজ সাংবাদিকদের বলেন, এই চুক্তি আমাদের উভয় দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার সর্বোত্তম উপায় হিসেবে একসঙ্গে কাজ করার স্বীকৃতি দেবে।

অস্ট্রেলিয়ান নেতা আগামী বছর ইন্দোনেশিয়া সফর করে নতুন চুক্তিটি স্বাক্ষর করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, চুক্তিটি ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা প্রতিযোগিতাপূর্ণ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং অন্য দেশে পরিচালিত প্রতিটি সামরিক বাহিনীর জন্য বিধান অন্তর্ভুক্ত করে।

২০২৪ সালের ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কয়েক মাস পর কয়েক হাজার ইন্দোনেশিয়ান ও অস্ট্রেলিয়ান সৈন্যরা পূর্ব জাভায় যৌথ মহড়া দেয়।

আলবানিজ বলেন, ‘উদীয়মান হুমকি’-নতুন চুক্তি অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়াকে ‘নিরাপত্তার বিষয়ে নেতা ও মন্ত্রী পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ’ করার প্রতিশ্রুতি দেবে।

তিনি বলেন, এটি ‘পারস্পরিকভাবে উপকারী নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং যদি উভয় দেশের নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়, তাহলে সেই হুমকি মোকাবিলা করার জন্য ব্যক্তিগতভাবে বা যৌথভাবে কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে পরামর্শ ও বিবেচনা করার সুবিধা প্রদান করবে।

প্রাবোও বলেছেন, চুক্তিটি দুই দেশকে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিবে।

তিনি আরো বলেন, ‘ভালো প্রতিবেশীরা কঠিন সময়ে পরস্পরকে সাহায্য করে।’

Manual7 Ad Code

চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই অঞ্চল উত্তাল থাকায়, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনের আশা করছে অস্ট্রেলিয়া।

অগাস্টে, ইন্দোনেশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয় অস্ট্রেলিয়া।

Manual4 Ad Code

বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে অন্যান্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্রতিবেশীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেছে ক্যানবেরা।

সেপ্টেম্বরে পাপুয়া নিউ গিনির সঙ্গে একটি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সম্মত হয়েছে, যেখানে দুটি দেশ সশস্ত্র আক্রমণ ও তাদের নিরাপত্তার জন্য ‘উদীয়মান হুমকি’ থেকে পরস্পরকে রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code