নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে হবে

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual3 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: নতুন বা তরুণ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানছে না, ইতিহাস জানানোর ক্ষেত্রে তাদের সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন না মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের সত্য ইতিহাস সম্পর্কে যেনো না জানতে পারে, সেজন্য স্বাধীনতার পর থেকেই পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা (আইএসআই) কাজ করছে বলেও তারা দাবি করেন।

Manual7 Ad Code

আজ শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘৭১ এর গণহত্যা ও পাকিস্তানের বর্বরতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’।

Manual4 Ad Code

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ঠাকুমার ঝুলির মতো তরুণদের শোনাতে হবে। বইয়ের সিলেবাসে থাকবে, একই সঙ্গে নিজেরা-নিজেরাও তাদের বিবৃত শোনাতে হবে। পাক হানাদার বাহিনীরা, ৭১ এর সময়কে বলে গোলমালের বছর। এভাবে তারা বাইপাস করে দিয়েছে। এখানে কোনো রাক-ঢাক নাই। এখানে ম্যাছাকার, গণহত্যা হয়েছে। এজন্য পাকিস্তানের সরকারকে ক্ষমা চাইতে হবে।‘ একই সঙ্গে ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস করার চেষ্টা করা হবে বলেও মন্ত্রী জানান।

Manual6 Ad Code

তিনি বলেন, ‘সত্যিকারে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস তুলে ধরা গেলে আমার মনে হয় না এই জাতি আবার বিভ্রান্ত হবে। এই দ্বায়িত্ব আমাদেরই। ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে থাকলে তাকে মেরে ফেলা হতো। কিন্তু তিনি পাকিস্তানের কারাগারে থাকায় বেঁচে গেছেন।

একই আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে নিয়ে আমরা সঠিক পথে যাচ্ছি বলে মনে হয় না। নতুন প্রজন্ম বলতে আমরা যদি মনে করি ঢাকার কয়েকজন ছেলে-মেয়ের কথা বললাম, তা নয়! গত কয়েকদিন আগে ফেসবুকে লিখেছিলাম যে পাকিস্তান আর্মি আমাদের এতো লক্ষ লোক হত্যা করেছে। তখন একজন কমেন্ট করেছে, ‘কর্ণেল সাহেব আপনি বোধহয় ভুল বলছেন, এগুলো মিথ্যে কথা, ফেক।‘ বড় কষ্ট লাগে, আমরা ফেল করেছি। ওরা (আইএসআই-পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা) ৭১ সালের ডিসেম্বরের পর থেকেই খুব এক্টিভ। আর আমরা বসে-বসে ঘুমিয়েছি পাঁচ থেকে ১০ বছর। এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। অর্গানাইজ ওয়েতে যদি এটা ঠেকাতে না পারি তাহলে নতুন প্রজন্ম কিছুই জানবে না। গ্রামে যান, কয়টা পাবেন স্কুল কলেজ? এগুলোর চেয়ে অনেক বেশি মাদ্রাসা, সেখানে জাতীয় সঙ্গীত গায় কিনা আমার সন্দেহ আছে। যেখানে সংখ্যায় তারা বেশি, সেখানে আস্তে-আস্তে তারাই বেশি হয়ে যাবে। আমি জানি না এর ভবিষ্যৎ কি।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code