মানসম্পন্ন পাঠ্যবই পাওয়াই চ্যালেঞ্জ

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual4 Ad Code

করোনাভাইরাসের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজে। গত বছরের চেয়ে এবার প্রায় ৩৫ শতাংশ কম দামে এসব বই ছাপানোর প্রস্তাব দিয়েছেন মুদ্রকররা। এছাড়া জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়েও গড়ে ৪২ শতাংশ কম দাম পড়েছে। এতে কমপক্ষে ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে সরকারের।

 

Manual6 Ad Code

তবে কমদর প্রস্তাব দেয়ায় বইয়ের মানের ওপর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তারা মনে করছেন নিুমানের কাগজ, কালি ও বাঁধাই হতে পারে। অস্বাস্থ্যকর কাগজ-কালিতে ছাপা বই হাতে গেলে শিশুরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে সময়মতো মানসম্পন্ন পাঠ্যবই হাতে পাওয়াই চ্যালেঞ্জ মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Manual7 Ad Code

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দর কম পড়ায় উল্লিখিত বাজেট থেকেই এবার প্রায় ৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। এর কারণ হচ্ছে, কাগজ তৈরির কাঁচামাল ‘মণ্ড’র দাম এবার আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক কমেছে। এছাড়া করোনার কারণে কাগজ রফতানি কমেছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাগজের ব্যবহার বন্ধ। গত বাজেটে কাগজের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট (২৫ থেকে ১৫ শতাংশ) কমানো হয়েছে। এছাড়া কাগজের মিলগুলো করোনাকালীন ব্যাংক ঋণ পরিশোধের জন্য নগদ টাকার জন্য কম দামে কাগজ বিক্রি করছে। এসব কারণে কাগজের দাম কমেছে প্রতি টনে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এ বছর মুদ্রকদের মধ্যে কোনো সিন্ডিকেট হয়নি। এ কারণে দরপত্রে বই ছাপানোর মূল্য কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন তারা।

Manual7 Ad Code

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা শুক্রবার যুগান্তরকে বলেন, এ বছর প্রাক্কলনের চেয়েও কম দামে বই ছাপার রাস্তা তৈরির মূল কারণ হচ্ছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কাগজের দাম বেশ কমে গেছে। এতে বিপুল পরিমাণ টাকা সাশ্রয় হবে। তবে কম মূল্যে কাজ নিলেও কারও ফাঁকি দেয়ার সুযোগ নেই। যেসব ‘প্যারামিটার’ (বইয়ের সামগ্রীর গুণ) নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে তা বুঝে নেয়া হবে। মান নিশ্চিতে এবার মন্ত্রণালয় তৎপর। মনিটরিং এজেন্সিসহ এনসিটিবির নিজস্ব টিমের পর্যবেক্ষণও বাড়ানো হবে।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code