

মুজিবুর রহমান রাঞ্জুঃ মাত্র এক বছর বয়সে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন নবধারা শমশেরনগর বেশ কিছু মানবসেবা মূলক, উন্নয়ন মূলক কাজ করেছে। তবে সাম্প্রতিক করোনা সংক্রমণকালে অসহায় কর্মহীন পরিবারের পাশে নবধারা যেভাবে আছে ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে তার প্রশংসা করতেই হয়। তারা আজ শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে শমশেরনগর ডাকবাংলোয় ৭২ টি পরিবারে তৃতীয় কিস্তিতে এক মাসরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে। এর আগে প্রথম কিস্তিতে ৫১ জটি পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। দ্বিতীয় কিস্তিতে ৬৩টি পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে। তাদরে উদ্দেশ্য যে পরিবারে খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হবে তারা যেন আর কারো কাছে খাদ্যের জন্য না যায়। আজ শুক্রবার ৭২ পরিবারে এক মাসরে খাদ্য বিতরণ করেছে।

শুরুতেই ২ লক্ষাধিক টাকা প্রদান করেছিলেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী আমিনুল ইসলাম। সাথে যুক্ত ছিল নবধারার সদস্যরাও। তাদের কাজটি হচ্ছে সম্পূর্ণ গঠণতান্ত্রীকভাবে। আর এ পদ্ধতি দেখে মুগ্ধ হয়ে যুক্তরাজ্য প্রবাসী নিজাম উদ্দীন দরাসত এবার আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। ফলে এবার ৭২ টি পরিবারে খাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। আজকের বিতরণে সম্প্রতি সবজুভাগ আবাসিক এলাকার করোনা আক্রান্ত পরিবারে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার, ফল ও এক মাসরে খাদ্য সামগ্রীও পৌছি দিল নবধারা শমশেরনগর। এ সংগঠনের পদ্ধতিতে একজন করে আহ্বায়ক থাকেন কিছু দিনের জন্য। তিনি কোনভাবেই স্থায়ী নন। তাদরে মাজে রয়েছে জবাবদিহিতা।

আজকের খাদ্য বিতরণে আমন্ত্রিত ছিলেন সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আশরাফুজ্জামান, কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান, শমশেরনগর ফাঁড়ির ওসি (তদন্ত) অরুপ কুমার চৌধুরী, সাবে চেয়ারম্যান আব্দুর গফুর, শমশেরনগর ওয়েল ফেয়ার ট্রাষ্ট কাতারের বদরুল ইসলাম, এমরান, লালন ও জীবন ও সাংবাদিবৃন্দ। আমন্ত্রতি সবাই এই গঠণতান্ত্রীক পদ্ধতি দেখে মুগ্ধ হয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন এভাবে এগিয়ে গেলে ভবিষ্যত উজ্জল।
এখানে নেই কোন একনায়কতন্ত্র। এ সংগঠনের কাজ দেখে মনে হলো তারা স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা ও সততায় বিশ্বাসী। আমি মনে করি দেশে বিদেশে শমশেরনগরের অনেক সংগঠন আছে সেসব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা নবধারা শমশেরনগরকে অনুসরণ করতে পারেন। কারণ আপনাদের কষ্টার্জিত আয়ের একটি অংশ সংগঠনের দেশে মানব সেবায় ব্যয় করেন। তবে কোন খবরই রাখেন না আপনাদের দান সঠিকভাবে প্রয়োগ হলো কি না ?