নবিজির শহর মদিনা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৪ years ago

Manual8 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: সোনার মদিনা। পবিত্র এ নামটির সঙ্গে যেন মুমিন মুসলমানের আত্মার সম্পর্ক। প্রিয় নবী (সা.) মদিনায় হিজরতের আগে এর নাম ছিল ‘ইয়াসরিব’।
ঐতিহাসিক ও গবেষকদের মতে, মদিনার ৯৫টি নাম রয়েছে, এর মধ্যে মদিনা নামটিই প্রসিদ্ধ। রাসূল মদিনাকে ভালোবাসতেন। তার চরম বিপদের দিনগুলোতে মদিনার অধিবাসীরা তার প্রতি যে প্রেম-ভালোবাসা ও বিশ্বাস দেখিয়েছেন, তার নজির ইতিহাসে আরেকটি নেই।
প্রিয় নবি (সা.) যখন হিজরতের ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি এভাবে দোয়া করেছিলেন, ‘হে আল্লাহ! যদি তুমি আমাকে আমার সর্বাধিক প্রিয়ভূমি থেকে বাইরে নিয়ে যাও, তবে আমার বসবাসের বিষয় এমন জায়গায় নির্ধারণ কর, যা তোমার কাছে সর্বাধিক প্রিয়।’
এ দোয়ার পর আল্লাহ মদিনাকে তার রাসূলের আবাসভূমি হিসাবে নির্ধারণ করেন। মদিনাকে রাসূল এত বেশি ভালোবাসতেন যে, কোনো সফর থেকে মদিনার দিকে ফেরার পথে উট দ্রুত তাড়াতেন। পবিত্র মদিনার বাড়িঘর, এমনকি গাছপালা নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর দেহ-মন আনন্দিত হয়ে উঠত। অন্তর শীতল হতো এবং তিনি চাদর না খুলে বলতেন-আহ! কী মনোরম বাতাস। মদিনার যে ধূলিবালি তাঁর পবিত্র মুখমণ্ডলে এসে পড়ত তা পরিষ্কার করতেন না।
সাহাবিদের মধ্যে কেউ ধুলাবালি ঝেড়ে ফেললে তিনি নিষেধ করতেন এবং বলতেন ‘মদিনার মাটিতে শেফা আছে।’ রাসূল (সা.) দোয়া করতেন-‘হে আল্লাহ আমার মৃত্যু যেন পবিত্র মদিনায় হয়।’ আয়েশা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.)-এর ওফাতের পর তাঁকে কোথায় দাফন করা হবে সে ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরাম নানা মত পেশ করতে থাকেন। অবশেষে হজরত আলী (রা.) বলেন, ভূ-পৃষ্ঠে আল্লাহর কাছে কোন জায়গা-সে জায়গা অপেক্ষা মহান নেই, যেখানে হুজুর (সা.) এর রুহ মোবারক কবজ করা হয়েছে। আবু বকর (রা.) একথা শুনে সমর্থন করলেন এবং এ মর্মে একটি হাদিস বর্ণনা করলেন। হজরত আলী (রা.) বলেন, একদিন রাসূল (সা.)-এর সঙ্গে মদিনা মুনাওয়ারাহ থেকে বের হলাম।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code