

নাচোল (চাঁপাইনবাবগঞ্জ):
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে মধ্য পৌষের কনকনে শীতে একদিকে বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের ভোগান্তি অন্যদিকে তীব্র শীতে কোল্ড ইনজুরী থেকে রক্ষা পেতে বোরো বীজতলা বাঁচাতে পলিথিনে ঢেকে ফেলেছে কৃষকরা।
কনকনে শীতে বয়স্কদের শ্বাস কষ্ট ও হাত-পায়ে ব্যাথা ও শিশুদের ঠান্ডজনিত অসুখে কোল্ড ডাইরিয়া ও শ্বাস কষ্ট বেড়েছে। নাচেল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সারোয়ার জাহান বয়স্ক ও শীশুদের শীতের পোষাক পরিধানসহ গরম পানি পান ও চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিসার বুলবুল আহাম্মেদ জানিয়েছেন, বোরো আবাদের জন্য বীজতলার বীজচারা তীব্র শীতে কোল্ড ইনজুরীতে আক্রান্ত হয়ে বীজচারা প্রথমে হলুদ ও পরে কালো রং হয়ে পচন ধরে কোল্ড ব্রাইট রোগে আক্রান্ত পারে। তাই শীতের তীব্রতা থেকে বীজচারা রক্ষা করতে রাতের বেলা পলিথিনে ঢেকে রেখে ও দিনের বেলায় উন্মুক্ত রাখা ও ছত্রাক নাশক স্প্রে করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি দপ্তরের সূত্রমতে নাচোলে আসন্ন বোরো মৌসুমে প্রায় ৫ হাজার হেক্টোর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে আবাদের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বীজতলা পর্যাপ্ত নয় বলে জানা গেছে। বোরো মৌসুমে শীতের তীব্রতায় বীজচারা ভালো হয়না তাই কৃষকরা মোট আবাদের এক তৃতীয়াংশ বাইরের চারা কিনে বোরো আবাদ করে থাকেন। এদিকে গত আমন আবাদের ধানের কাঙ্খিত মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা ধান চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু বরেন্দ্র অঞ্চলে বংশ পরম্পরায় যুগ যুগ ধরে ধান চাষ করে আসছে কৃষকরা।