

কোর্ট প্রতিবেদক :
নানা অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার অপরাধী হিসেবে কুলাউড়ার শিবলু নামে এক বখাটেকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে বিজ্ঞ আদালত । কোর্ট সূত্রমতে,এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত ও শত শত অভিযোগের মূল হোতা রউফ আহমেদ শিবলু বিগত ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তার ব্যবসায়ীক সহযোগী কুলাউড়ার সর্বজন পরিচিত আ,লীগ নেতা মুহিম খানের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে কুলাউড়ায় সংবাদ সম্মেলন করে।
তার ভূয়া তথ্যের সংবাদ সম্মেলনের খবর পেয়ে মুহিম খান ২০১৯ সালের ০৩ অক্টোবর পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কুলাউড়ার অর্ধশত গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতিতে পৌর মিলনায়তনে বখাটে শিবলু যতসব অভিযোগ করেছে সেগুলোর কোন সত্যতার ভিত্তি নেই উল্লেখ করে মুহিম খান চ্যালেঞ্জ করে সঠিক কাগজপত্র গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে সরেজমিন তুলে ধরেন ।
ওইদিনই সংবাদ সম্মেলনে অনেকটাই প্রমানিত হয় শিবলু এসব নাটকীয় ভূয়া ও মান সম্মান হানির জন্য করেছে । পরে মুহিম খান চ্যালেঞ্জ করে বখাটে শিবলুর বিরুদ্ধে দলিল জালিয়াতির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেন । আদালত মামলাটি গুরুত্ব সহকারে আমলে নিয়ে সঠিক তদন্তের স্বার্থে পিবিআই কাছে হস্তান্তর করে।
পিবিআই অনুসন্ধানী তদন্তের ভিত্তিতে শিবলু এসব ভূয়া তথ্য ও জালিয়াতির মাধ্যমে করেছে এমন সত্যতা পিবিআইয়ের তদন্তে প্রমান পেয়েছে । স্থানীয় সূত্রমতে, পিবিআইর তদন্তে শিবলু দোষি এমন খবরের জানার পর থেকে শিবলু অনেকটাই গা ডাকা দিয়ে দীর্ঘদিন এলাকা থেকে পালিয়ে ছিল ।
দীর্ঘ দিন পর সেই মামলা থেকে জামিন পেতে ৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার কোর্ট কার্যাদি শুরুর দিকেই গোপনীয়তার সহীত বখাটে শিবলু কোর্টের ৫নং আমল গ্রহনকারী আদালতে উপস্থিত হয় ।দীর্ঘ শুনানীর পর বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে ।
এদিকে মুহিম খান প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, অভিযোগ যে কেউ কারো বিরুদ্ধে করতে পারে ।কিন্তু চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা করার পর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পিবিআইয়ের সঠিক তদন্তে শিবলুর করা সব অভিযোগ জালিয়াতি ও মিথ্যে হিসেবে গ্রাহ্য হওয়ায় সে কারাগারে যেতে হল । সত্যের জয় সব সময় এই কথা বলে মুহিম খান আরো বলেন, সমাজের বখাটে ও অপকর্মের এরকম বহু অপকর্মের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে আরো কঠোর আইন বাস্তবায়ন করার দাবি জানাচ্ছি।