নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ২ মাস আগে

Manual4 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট:অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত সিকদার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, দিল্লীতে নিযুক্ত সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ। সন্ধ্যায় নবান্ন পার্টি সেন্টারের বাইরে বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের শুভ সূচনা হয়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ছাড়াও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ও মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, ও ছাত্রলীগ অনুুষ্ঠানে অংশ নেয়।

Manual8 Ad Code

দ্বিতীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পূর্বেই বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে মিছিল সহকারে পার্টি সেন্টারে নেতাকর্মীদের আগমনের ফলে হলরুম কানায় কানায় ভরে উঠে। তবে জনসমাগমের তুলনায় হলঘরটি বেশ ছোট হওয়ায় অনেকে অস্বস্তি প্রকাশ করেন। এমনকি ছোট বদ্ধ হলঘরে মিছিল ও স্লোগানেও অনেকে বিরক্ত হন। বিশেষ করে নিউইয়র্কের বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত মিছিলগুলো নিজেদের আগমণ জানান দিতে হলঘরে প্রবেশের পর কয়েক মিনিট ধরে স্লোগান দেয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মতো এমন অনুষ্ঠান ছোট পরিসরে আয়োজনে জন্য নেতাদের সমালোচনাও করেন অনেকে। জায়গা স্বল্পতায় অনুষ্ঠানে কোন মঞ্চেরও ব্যবস্থা করা হয়নি। বক্তব্যদেয়ার পডিয়ামে এসে সবাই বক্তব্য দিয়ে আবার সিটে বসে যান।
নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন বরো থেকে আগত নেতাকর্মীরা আলাদা আলাদা ভাবে মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে আসে। তারা প্রথমে ডাইভার্সিটি প্লাজার সামনে একত্রি হয়, পরে মিছিল নিয়ে ৭৩ স্ট্রিটের উপর দিয়ে শোডাউন করে নবান্ন পার্টি সেন্টারে আসে। কেউ কেউ মিছিল নিয়ে জ্যাকসন হাইটসের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করেন। একমুখী সড়কে মিছিলের কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়। এই সময় জরুরি পুলিশের ভ্রাম্যমাণ গাড়ি এসে কিছু মিছিল কারীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে ফুটপাতে তুলে দেয়। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগও আলাদা-আলাদা ব্যানারে বড় শো ডাউন করে।

Manual6 Ad Code

মূল অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথমে মুক্তিযুদ্ধসহ সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন শেষে বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। তারপর কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা কারী মঈনুদ্দীন।দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল বক্তৃতায় প্রবাসী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ধন্যবাদ জানিয়ে দেশের অসহায় নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে অবিলম্বে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং আওয়ামী লীগের সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দিতে সরকারের আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন করে দেশের কোনো পরিবর্তন হয়নি হয়েছে শুধু ব্যক্তির পরিবর্তন হয়েছে। আগের মতই খুন নির্যাতন চলছে। দেশের গরিব জনগণ খেতে পারছে না। আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে সাধারণ মানুষকে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা দেওয়া হয়েছিল সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. মাসুদুল হাসান, নিউইর্য়ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কিবরিয়া জামান, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ শাহনাজ, যুবলীগের সভাপতি সেবুল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী, ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মিয়া প্রমুখ। প্রবাসী শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক আয়োজনে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code