

নিউইয়র্ক: জর্জিয়া ষ্টেট সিনেটর বাংলাদেশী-আমেরিকান শেখ রহমান নিউইয়র্ক সিটির ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারী নির্বাচনে বাংলাদেশী প্রার্থীদের ভোট দিয়ে নিজেদের অধিকার সুসংহত করার জন্য বাংলাদেশী-আমেরিকান ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশীকে ঐক্যবদ্ধভাবে আমেরিকান রাজনীতিতে আরো সক্রিয় হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন। খবর ইউএনএ’র।

গত ১২ জুন শনিবার সন্ধ্যায় জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউ ও ১৬৮ ষ্ট্রীট কর্ণারে আয়োজিত পৃথক পৃথক দুটি পথসভায় ষ্টেট সিনেটর শেখ রহমান উপরোক্ত আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সিউিইয়র্ক সিটির আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশী প্রার্থীদের মধ্যে ডিষ্ট্রিক্ট-২৪ এর তিন কাউন্সিল মেম্বার পদপ্রার্থী যথাক্রমে মৌমিতা আহমেদ, মোহাম্মদ সাবুল উদ্দিন ও সাইফুর খান হারুন এবং কুইন্স কাউন্টির জজ পদপ্রার্থী এটর্নী সোমা সাঈদ উপস্থিত ছিলেন এবং তাদের প্রার্থীতার কথা তুলে ধরেন।
সিনেটর শেখ রহমান বাংলদেশী প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়ে বলেন, একজন বাংলাদেশী হিসেবে নিউইয়র্কের বাংলাদেশী প্রার্থীদের সমর্থন জানাতে জর্জিয়া থেকে ছুটে এসেছি। আমি সকল প্রার্থীকে স্বাগত জানাই এবং নির্বাচনে তাদেরকে ভোট দেওয়ার জন্য বাংলাদেশী-আমেরিকান ভোটারদের আহ্বান জানাই। তিনি বলেন, সকল কমিউনিটির সাথে যোগাযোগ রেখেই ভোটে জিততে হবে। আমার নির্বাচনী এলাকায় মাত্র দশমিক তিন ভাগ বাংলাদেশী ভোটার। কিন্তু সকল কমিউনিটির মন জয় কওে সেখানে আমি জিতেছি। নিউইয়র্কেও বাংলাদেশী-আমেরিকানদেও জয়ী হতে হবে। এজন্য ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার পাশপাশি সকলের ভোট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। এই সভা পরিচালনা করেন আহনাফ আলম ও নূরুল হক।
মোহাম্মদ উদ্দিনকে সমর্থন করলো অ্যাসাল

এর আগে আরেক পথসভায় জর্জিয়াররাজ্যের ষ্টেট সিনেটর শেখ রহমানের উপস্থিতিতে অ্যাসাল সিটি কাউন্সিল ডিষ্ট্রিক্ট ২৪ থেকে কাউন্সিল মেম্বার প্রার্থী মোহাম্মদ সাবুল উদ্দিন-কে এনডোর্স করে। অ্যাসাল এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন শুরুতে তার বক্তব্যে মোহাম্মদ উদ্দিনের কর্মকান্ড তুলে ধরেন এবং আসন্ন নির্বাচনে তাকে অ্যাসাল-এর পক্ষ থেকে সমর্থন জানানোর কথা জানান।
কাউন্সিরম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ উদ্দিন আহমেদ ৩০ বছর ধওে জ্যামাইকায় বসকবাসের ইতিহাস তুলে ধরেন এবং ভোট কামনা করেন। এসময় ষ্টেট সিনেটর শেখ রহমান সহ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে এবিএম ওসমান গণি, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আনাফ আলম, শাহানা বেগম প্রমুখ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।