নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে ট্রাম্পের সমর্থন পেয়ে উচ্ছ্বসিত নেতানিয়াহু

লেখক: বাংলানিউজ ইউএস.কম
প্রকাশ: ৪৩ minutes ago

Manual6 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট: ইসরাইলের আসন্ন নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। ওই কথোপকথনে ট্রাম্পকে নেতানিয়াহুর নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করতে ও ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যৌথ হামলার ইঙ্গিত দিতে শোনা যায়। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর এক দিন আগে ট্রাম্প প্রকাশ্যে নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানান। এরপর দুই ডানপন্থী নেতার পারস্পরিক প্রশংসায় ভরা ফোনালাপের ভিডিও প্রকাশ করেন নেতানিয়াহু। ফোনালাপে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার মনে হয়, আপনি বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতে যাচ্ছেন।’

Manual5 Ad Code

ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে তার ডাকনাম ‘বিবি’ বলে সম্বোধন করে বলেন, ‘বিবি, আমি আপনাকে আমার পাশে চাই।’কথোপকথনটি সবার জন্য উন্মুক্ত লাইনে চলছে—ট্রাম্পকে এ কথা স্মরণ করিয়ে দেন নেতানিয়াহু।এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণের জন্য ট্রাম্পের প্রশংসা করেন তিনি।উচ্ছ্বসিত নেতানিয়াহু বলেন, ‘ডোনাল্ড, আমাদের একটি কাজ শেষ করা বাকি আছে। আমরা একসঙ্গেই তা শেষ করব। কাজটি আমরা শেষ করব, অন্য কেউ তা করবে না।’তবে কোন কাজের কথা তিনি বলেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি নেতানিয়াহু।তিনি আবারও ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বাধীন সরকারকে ‘সবচেয়ে বড় বিপদ’ হিসেবে বর্ণনা করেন।যৌথ হামলার প্রায় আট মাস পরও ইরানে সেই সরকার ক্ষমতায় রয়েছে।এর আগে বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটি থেকে প্রকাশিত ভিডিওতে নেতানিয়াহুকে বলতে শোনা যায়, প্রয়োজন হলেই শত্রুদের ওপর হামলা চালানোর সক্ষমতা ইসরাইলের রয়েছে বলে তাকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

Manual4 Ad Code

‘বিভাজন সৃষ্টিকারী নেতা’

Manual5 Ad Code

ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বহু বছর ধরে এমন একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের অপেক্ষায় ছিলেন, যিনি ইরানে হামলা চালাতে সম্মত হবেন। কিন্তু এপ্রিলে ট্রাম্প আকস্মিকভাবে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছান। বর্তমানে সেই যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে।এরপর ইসরাইলে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় বলে বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে।ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউট ফর নিয়ার ইস্ট পলিসির গবেষক ডেভিড মাকোভস্কি বলেন, ট্রাম্পের সমর্থন ইসরাইলের ভোটারদের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু এমন একজন নেতা, যিনি মানুষকে বিভক্ত করেন। কেউ তাকে ভালোবাসেন, কেউ ঘৃণা করেন। সিদ্ধান্তহীন ভোটার কতজন আছেন? খুব বেশি নয়।’যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইসরাইলের মতবিরোধ প্রকাশ্যে আসার পরও ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সমর্থন দিয়েছেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরান যুদ্ধ নিয়ে ইসরাইলের কঠোর সমালোচনা করেছেন।তার বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরাইলের আর কোনো বন্ধু নেই এবং দেশটির উচিত মার্কিন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code