পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনকে ধন্যবাদ জানিয়ে লন্ডনে সভা

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual4 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ সম্প্রতি অন্যান্য আরো কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের উপর থেকেও ব্রিটেন ভ্রমনের ক্ষেত্রে লাল তালিকা থেকে হলুদ তালিকায় নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে বিশেষ করে এতদিন যাবৎ যারা ভ্রমনের ক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যায় ছিলেন, তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এ জন্য বৃটেনের দুটি কমিউনিটি সংগঠন “ব্রিকলেন ট্রাস্ট” এবং “আলী ফাউন্ডেশনে” এর পক্ষ থেকে ব্রিটিশ সরকার, ট্রান্সপোর্ট সেক্রেটারী গ্রান্টস শাপ ও বাংলাদেশেরে সূযোগ্য পররাষ্ট্রমন্ত্রি ড. একে আব্দুল মোমেনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

এ উপলক্ষে গত সোমবার ইস্ট লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্রিকলেন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান, শাহ মুনিম ও “আলী ফাউন্ডেশনের” প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক রহমত আলী। সভায় উল্লেখ করা হয় যে, সম্প্রতি ব্রিটেন সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বিষয়টি নিয়ে প্রথমে ব্রিটেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলাপ করেন। পরে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফরমে তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও বাংলাদেশকে ব্রিটেনের অতিঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা থেকে সরানোর অনুরোধ জানান। এ সময় করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার কমে আসার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্রিটেনের ৫০ বছরের পুরোনো বন্ধু, তাছাড়া প্রায় ছয় হাজার ব্রিটিশ-বাংলাদেশী আটকা পড়ে আছেন। এমতাবস্থায় বাংলাদেশকে রেড-লিস্ট-এ রাখা মোটেই সমীচীন হয়নি। তা ছাড়া তিনি এটাও বলতে বাধ্য হন যে, ব্রিটেন বাংলাদেশের সাথে ডিসক্রিমিনেট করছে যা ব্রিটেন-বাংলাদেশ সুসম্পর্কের বিগত ৫০ বছরে কখনও দেখা যায়নি। সুতরাং এ কথাগুলোর মাধ্যমে বুঝাই যায় পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তাই এ ব্যাপারে ড. একে আব্দুল মোমেনের বলিষ্ঠ ভুমিকা না থাকলে এ পর্যন্ত সেটা লাল তালিকায় থাকা অস্বাভাবিক কিছু ছিল না। কারণ এখনও প্রায় ৫২টি দেশ বৃটেন ঘোষিত লাল তালিকায় অবস্থান করছে।

Manual8 Ad Code

সভায় বক্তাগন আরো উল্লেখ করেন যে, লাল তালিকা থেকে হলুদ তালিকায় আসা শেষ কথা নয়, আগামীতে যাতে বাংলাদেশ সবুজ তালিকায় আসে সে ব্যাপারে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ বাংলাদেশী এমপিদেরকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয় -যেভাবে অন্যান্য দেশী ব্রিটিশ মন্ত্রি এমপিরা ভূমিকা রাখছেন।

উক্ত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ব্রিকলিন ট্রাস্টের সেক্রেটারি মো. ওসমান গনি, হিউম্যান রাইটস এন্ড পীস ফর বাংলাদেশ ইউকের ভাইস চেয়ারম্যান এলাইছ মিয়া মতিন, সাংবাদিক সমাজসেবী নাজমুল হুদা, মহি উদ্দিন আফজাল খান, ডক্টর কামরুল হাসান ও শাহ কামালী প্রমুখ।

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code