

ইউরোপ ডেস্ক: ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত এক প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সূত্রের বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, এই প্রস্তাবে ইউক্রেনকে আরও ভূমি ছাড়তে ও আংশিকভাবে নিরস্ত্র হতে বাধ্য করবে। কিয়েভের ইউরোপীয় মিত্রদের কাছে এটি বাস্তবে আত্মসমর্পণের শামিল বলে বিবেচিত হচ্ছে। দুই সূত্র জানায়, ওয়াশিংটন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ইঙ্গিত দিয়েছে যে যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের খসড়া কাঠামো মেনে নিতে হবে কিয়েভকে। এতে রয়েছে আঞ্চলিক ছাড় ও ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।কিয়েভের জন্য এটি বিব্রতকর সময়ে এসেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনীয় সেনারা চাপের মুখে রয়েছে এবং জেলেনস্কির সরকার দুর্নীতির কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্ত। বুধবার পার্লামেন্ট দুই মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছে। এ নিয়ে মস্কো তাচ্ছিল্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, এ মুহূর্তে কোনও পরামর্শ প্রক্রিয়া চলছে না। যোগাযোগ আছে, কিন্তু সেটিকে পরামর্শ বলা যায় না। তিনি জানান, আগস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ভ্লাদিমির পুতিন যে অবস্থান তুলে ধরেছেন, সেটির ভিত্তিতে রাশিয়ার বলার মতো নতুন কিছু নেই। শান্তি চুক্তিতে সংঘাতের ‘মূল কারণ’ সমাধান জরুরি, এটি রাশিয়ার দীর্ঘদিনের দাবি।