পর্দার সন্তানদের মায়ায় জড়িয়ে গেছেন তাঁরা

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ১২ মাস আগে

Manual7 Ad Code

বিনোদন ডেস্ক:

Manual7 Ad Code

আজ আন্তর্জাতিক মা দিবস। পর্দায় মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে অন্যতম দিলারা জামান ও ডলি জহুর। শিল্পীরা বাস্তবেও তাঁদের মা বলে ডাকেন। তাঁরাও জড়িয়ে গেছেন পর্দার সন্তানের মায়ায়। দুজনেই দেশে একা থাকেন, আর তাঁদের সন্তানেরা থাকেন প্রবাসে। সন্তানদের সঙ্গে বিদেশে না গিয়ে, পর্দার সন্তানদের মায়ায় তাঁরা রয়ে গেছেন দেশে।

দিলারা জামানের দুই মেয়ে। দুজনেই থাকেন দেশের বাইরে। পড়ালেখার জন্য দূরদেশে পাড়ি দেওয়া দুই সন্তান পরবর্তী সময়ে সেখানেই গড়েছেন ক্যারিয়ার। মা দিলারাকেও নিয়ে গিয়েছিলেন তাঁদের কাছে। তবে শিকড়ের টানে তিনি ফিরে এসেছেন। সন্তানেরা নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন, সুযোগ পেলে প্রতিবছর দেশে আসেন মায়ের সঙ্গে দেখা করতে। শুধু নিজের সন্তানেরা নন, পর্দার বাইরেও শোবিজের সবাই দিলারা জামানকে মা বলে ডাকেন। মায়ের মতো সম্মান করেন, খোঁজখবর রাখেন।

Manual1 Ad Code

দিলারা জামান বলেন, ‘আমার দুই মেয়ে দেশের বাইরে থাকে। নিয়মিত তারা আমার খোঁজখবর নেয়। আমি যাদের সঙ্গে কাজ করি তারাও সব সময় আমার খোঁজখবর নেয়। সবাই মা বলে ডাকে। এদের ছেড়ে আমি থাকতে পারব না। এ কারণেই দেশে ফিরে এসেছি। এই দেশ ছেড়ে, দেশের মানুষ ছেড়ে আমি থাকতে পারব না। বাংলাদেশের সহস্র ছেলেমেয়ে আমাকে মা বলে ডাকে। এটাই আমার কাছে আনন্দের। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী হতে পারে!’

Manual7 Ad Code

পর্দায় মায়ের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০২৩ সালে মা পদকে সম্মানিত করা হয় দিলারা জামানকে। এ বছর এই পদক পাচ্ছেন ডলি জহুর। তিনিও দেশে থাকেন একা। তাঁর একমাত্র সন্তান রিয়াসাত স্থায়ী হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়। মাঝে মাঝে ডলি জহুর যেমন ছুটে যান ছেলের কাছে, আবার ছেলেও সময় পেলে আসেন মায়ের কাছে। তবে এ দেশ ও মানুষের ভালোবাসার কারণে বিদেশে স্থায়ী হতে পারেননি। বিশেষ করে পর্দার সন্তানদের মায়া তাঁকে আটকে রেখেছে।

Manual6 Ad Code

ডলি জহুর বলেন, ‘সবার ভালোবাসা আছে বলেই তো বিদেশে আমার ছেলে আমাকে ধরে রাখতে পারে না। এখানে একা পড়ে আছি সবার ভালোবাসার টানে। এই যে সবার সঙ্গে দেখা হচ্ছে, খোঁজখবর নিচ্ছে, মা বলে ডাকছে। আমি যখন করোনায় আক্রান্ত হলাম, সবাই দৌড়ে চলে এল বাসায়, আমাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল। একটুও ভয় পেল না কেউ। অনেকেই আমার সেবায় হাসপাতালে থেকে গেল। এই ভালোবাসা বলে বোঝানো যাবে না। ভালোবাসা ব্যাখ্যা করা যায় না, অনুভব করা যায়। আমি এটা সব সময় অনুভব করি।’

ডেস্ক: আর

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code