

ডেস্ক রিপোর্ট. ঢাকা: দিল্লিতে পর্যটকদের জন্য খুলে গেলো কুতুবমিনার, হুমায়ুনের সমাধিসহ রাজধানীর কেন্দ্রীয়ভাবে সুরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভগুলি। করোনা মহামারির জেরে তিনমাসের মতো বন্ধ ছিল এসব দর্শনীয় স্থান। মঙ্গলবার থেকে সেখানে দর্শকরা ঢুকতে পারবেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, খুলে গেলেও ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানগুলো কড়া নিয়ম জারি থাকবে পর্যটকদের জন্য। মানতে হবে শারীরিক দূরত্ব বিধি। ব্যবহার করতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। মাস্ক না পরে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না দর্শনীয় স্থানগুলোর ভেতরে। দুটি পর্যায়ে টিকিট কাটতে পারবেন দর্শনার্থীরা। একটির টিকিটে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘুরে দেখা যাবে। অন্য পর্যায়ে দুপুর থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভেতরে থাকা যাবে। প্রতিটি ধাপে সর্বাধিক দেড় হাজার জনকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। জানা যায়, সাধারণ পরিস্থিতিতে লালকেল্লায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২ হাজার, হুমায়ুনের সমাধিতে প্রায় ১০ হাজার, কুতুবমিনার দেখতে ৮ থেকে ১০ হাজার দর্শক ভিড় করেন। কিন্তু মহামারির কারণে একসঙ্গে একাধিক পর্যটকের প্রবেশ নিষেধ করেছে। সেকারণেই প্রতি ধাপে সর্বাধিক দেড় হাজার জনকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।
তাজমহলআর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার অধীনে দিল্লিতে ১৭৩টি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এরমধ্যে লালকেল্লা, হুমায়ুনের সমাধি ও কুতুবমিনার ইউনেস্কো স্বীকৃত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও রয়েছে সফদরজং সমাধি, তুঘলকাবাদ দুর্গ, ফিরোজ শাহ কোটলার মতো বহু ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান। কেন্দ্রের সংস্কৃতি মন্ত্রকের নির্দেশে ওই স্মৃতিস্তম্ভগুলি এদিন থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে নতুন করে আগ্রায় করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ায় আপাতত খুলছে না তাজমহল। বন্ধ থাকছে আগ্রার অন্য দর্শনীয় স্থানগুলিও। ফলে অনেকটাই হতাশ হতে হচ্ছে পর্যটকদের। তবে আগ্রার দর্শনীয় স্থানগুলো না খোলার বিষয়ে উত্তর প্রদেশের সরকার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ঠিক করেছেন করোনা পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিক না হলে এখনই কোনো দর্শনীয় স্থান খোলা হবে না পর্যটকদের জন্য।