

ভারত প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে মনোনয়ন পর্ব থেকেই সহিংসতার খবর আসছিল বিভিন্ন সময়। ভোটের দিন পরিস্থিতি আরও নাজুক। আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও শনিবার সকাল থেকেই প্রাণ ঝরলো রাজ্যে। এখন পর্যন্ত সহিংসতায় ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর আহত অনেকে। শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, ভোটলুটের অভিযোগ তুলেছে বিজেপিসহ বিরোধীরা।
কোচবিহারে ভোটের বলি বিজেপির এক কর্মী। দিনহাটার ভাগনী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন চিরঞ্জিত কর্জি। কোচবিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও মারা যান তিনি। খানাকুলের পোল ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কর্মী শেখ তহিদুল রহমানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
এবার ২২টি জেলা পরিষদে ৯২৮, পঞ্চায়েত সমিতিতে ৯ হাজার ৭৩০ এবং গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬৩ হাজার ২২৯ আসনে প্রতিনিধি নির্বাচনে রায় দিতে পারবেন প্রায় ৫ কোটি ৬৭ লাখ ভোটার। মালদহের কালিয়াচকের নওদা যদুপুরে ৭৮ নম্বর বুথ দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বুথে চড়াও হয় দুর্বৃত্তরা। আহত হয়েছেন তিন জন। এলাকায় টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পোলিং অফিসাররা বলছেন, দুপুর একটা নাগাদ একপক্ষ বুথে ঢুকে ব্যালট ছিনতাই করে এবং নির্দলের এজেন্টকে বের করে দেয়। বুথে বোমা হামলার ঘটনায় আতঙ্কে পালিয়ে যান পোলিং অফিসার।