নিউজ ডেস্কঃ পশ্চিমাদের চাপে নতি স্বাকীর এবং হস্তক্ষেপকে অগ্রাহ্য করতে ঐকমত্যে পৌছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গতকাল বুধবার ভিডিও লিংকে কথা বলেন বিশ্বের প্রভাবশালী এই দুই রাষ্ট্রনেতা।
এক সপ্তাহ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কথা বলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। সেখানে ইউক্রেন নিয়ে বাইডেন পুতিনকে কড়া হুমকি দেন। পশ্চিমারা চীন ও রাশিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। এরই মধ্যে শি ও পুতিনের মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হলো। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শি জিনপিংয়ের বরাত দিয়ে চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্হা সিনহুয়া জানায়, বর্তমানে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের নামে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শক্তি চীন ও রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক নীতির ওপর নিষ্ঠুর হস্তক্ষেপ করছে। নিজেদের নিরাপত্তা এবং স্বার্থ রক্ষায় চীন ও রাশিয়ার যৌথ প্রচেষ্টা আরো বাড়ানো উচিত। ক্রেমলিনের সহযোগী ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের জানান, পশ্চিমাদের চাপ থেকে রক্ষায় রাশিয়াকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন শি জিনপিং। তিনি রাশিয়ার উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ইউরি উশাকভ বলেন, দুই প্রেসিডেন্টই অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের অকাস চুক্তি এবং অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে কোয়াড জোট গঠনের সমালোচনা করেছেন।
এদিকে ইউক্রেন ইসু্যতে আবারো রাশিয়াকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি এবং ব্রিটেন। ইইউর নির্বাহী কমিশন সতর্ক করেছে, রাশিয়া ইউক্রেনে হামলার সিদ্ধান্ত নিলে আরো অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার জন্য তারা প্রস্ত্তত। জার্মানির নতুন চ্যান্সেলর ওলাফ শলত্জও পার্লামেন্টে বলেছেন, ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বে আঘাত করলে রাশিয়াকে তার মূল্য দিতে হবে। কয়েক ঘণ্ট পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বলেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে হামলার প্রতিজ্ঞাই করে থাকে তাহলে কয়েক দফায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।
