

লন্ডন অফিস: ২০২৪ সালের ফরাসি অভিবাসন আইনেই নাগরিকত্ব অর্জনের শর্ত কঠোর করার ইঙ্গিত ছিল। এবার তার সঙ্গে যুক্ত করা হলো ৪০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা। এ ডিক্রি জারির মধ্য দিয়ে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফ্রান্সে নাগরিকত্ব ও অভিবাসন নীতি এখন আগের তুলনায় অনেক কঠোর। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে গৃহীত নতুন অভিবাসন আইনের মাধ্যমে এর শুরুটা হয়েছিল। এই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল বিদেশিদের ফ্রান্সে প্রবেশ ও বসবাসের প্রক্রিয়াকে কঠোর করা এবং ফরাসি সমাজে অন্তর্ভুক্তি বা ইন্টিগ্রেশনকে জোরদার করা।
আইনটি অভিবাসীদের ভাষাগত দক্ষতা, পেশাগত স্থিতিশীলতা ও নাগরিক মূল্যবোধের ওপর জোর দিয়ে প্রণয়ন করা হয়। এতে নাগরিকত্বের জন্য ফরাসি ভাষার দক্ষতা বি১ থেকে বি২ স্তরে এবং স্থায়ী রেসিডেন্ট পারমিটের অনুমতির জন্য এ২ থেকে বি১ স্তরে উন্নীত করা হয়। তবে আইনটির কয়েকটি ধারা বিতর্কিত হওয়ায় ফ্রান্সের সাংবিধানিক আদালত তাতে আংশিক পরিবর্তন আনে। আদালত অন্তুর্ভুক্তি ও ভাষাগত দক্ষতা সম্পর্কিত ধারাগুলোকে বৈধ ঘোষণা করে এবং এগুলোকে সংবিধানসম্মত বলে রায় দেয়। এর ফলে ফ্রান্সে নাগরিকত্ব অর্জন প্রক্রিয়ায় কঠোরতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়।