পুতিন-ট্রাম্পের বৈঠকের পর ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন জেলেনস্কি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

আলাস্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বৈঠক কোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি হয়তো আশা করেছিলেন, এই বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে একটি চুক্তি হবে। কিন্তু এমন কোনো কিছুই হয়নি। তাই ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য সোমবার ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন জেলেনস্কি।

শনিবার ট্রাম্পের সঙ্গে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এক টেলিফোন কলের পর জেলেনস্কি এই সফরের কথা নিশ্চিত করেন। এক ঘণ্টার আলোচনার পর এতে ইউরোপীয় ও ন্যাটো কর্মকর্তারাও যোগ দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জেলেনস্কি লিখেছেন, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ‘হত্যা ও যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে সব ধরনের বিস্তারিত আলোচনা’ করবেন এবং এই আমন্ত্রণের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।

Manual5 Ad Code

জেলেনস্কি বারবার বলে আসছেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক জরুরি। ট্রাম্পও এই ধরনের বৈঠকের কথা বলেছিলেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, আলাস্কার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক সফল হলে তা সম্ভব হতে পারে।

Manual5 Ad Code

যদিও ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর পুতিন কোনো সুস্পষ্ট অবস্থান পরিবর্তন করেননি। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ শেষ করতে হলে প্রথমে এর ‘মূল কারণ’ দূর করতে হবে এবং মস্কোর ‘বৈধ উদ্বেগ’গুলো সমাধান করতে হবে। প্রসঙ্গত, এখানে ‘মূল কারণ’ বলতে তিনি বোঝান, ‘ইউক্রেন যেন একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে না থাকে।’

ইউক্রেনের পার্লামেন্টের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির প্রধান ওলেক্সান্দ্র মেরেঝকো রয়টার্সকে বলেন, ‘যেমনটি আমরা আশা করেছিলাম, কিছুই হয়নি। কোনো ফলাফল আসেনি এবং সবাই নিজেদের অবস্থানে অনড় আছে। পুতিন তাঁর আলটিমেটাম থেকে সরে আসেননি। ট্রাম্প একজন ভালো মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।’

Manual7 Ad Code

ট্রাম্প সম্প্রতি ইউক্রেন এবং এর নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিলেও গত কয়েক সপ্তাহে মস্কোর প্রতি তাঁর মনোভাব কঠোর করেন। তিনি পুতিনকে হুমকি দিয়েছিলেন, যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে তিনি রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন। তবে আলাস্কায় বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন, ‘এই মুহূর্তে’ নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি নিয়ে তিনি ভাবছেন না।

Manual7 Ad Code

জেলেনস্কি যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে কিয়েভের নিরাপত্তার গুরুত্ব বারবার তুলে ধরেছেন, যাতে ভবিষ্যতে রাশিয়া নতুন করে আক্রমণ না চালাতে পারে। ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের পর তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইতিবাচক সংকেত নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।’

ডেস্ক: এস

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code