পূর্ব লন্ডনে যুক্তরাজ্য নির্মূল কমিটির জাতীয় শোক দিবস পালিত
লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago
Manual4 Ad Code
Manual1 Ad Code
সালেহ আহমদ (লন্ডন ) যুক্তরাজ্য থেকে :
Manual5 Ad Code
১৫ অগাস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ‘যুদ্ধাপরাধ বিচারে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা’ নামে এক অনুষ্টান লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব অফিসে আয়োজন করে।
যুক্তরাজ্য নির্মুল কমিটির সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক রুবি হক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
Manual3 Ad Code
প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্মুল কমিটির উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক । বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্মুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইউকে আওয়ামী লীগ প্রেসিডেন্ট সুলতান মাহমুদ শরীফ, আব্দুল আজিজ, মজিবুল হক মনি, ডা: কাজী মুখলেসুর রহমান, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রেসিডেন্ট সাংবাদিক আনসার আহমেদ উল্লাহ, সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী, নুরউদ্দিন আহমেদ, সম্মানিত সভাপতি ইউকে নির্মুল কমিটি।
Manual2 Ad Code
অনুষ্ঠানের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরস্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও তাঁর দুই সন্তান জননেত্রী শেখহাসিনা ও শেখ রেহানা এবং তাদের শোকাহত পরিবারেরপ্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয় ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১৯৭৫ সালের এই দিনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী শক্তি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের প্রায় সকল সদস্যকে নির্মম ভাবে হত্যা করে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে নেয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় আসীন পাকিস্তান পন্থীসামরিক–বেসামরিক স্বৈরশাসকরা একাত্তরের ঘাতক দালালদের বিচার বন্ধসহ মুক্তিযুদ্ধের সকল অর্জনকে ধ্বংস করে জাতিকে গভীর আত্মপরিচয়ের সংকটে ফেলেদেয় যা জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করে।
জাতির জনকের সুযোগ্য তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনারনেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি একদশকের অধিক সময়ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধীশক্তি বংগবন্ধু হত্যা পরবর্তী দুই দশকে মানুষের মননে যেবিষবৃক্ষ রোপন করেছে তা উপড়ে ফেলা কঠিন চ্যালেঞ্জহিসাবে প্রতিভাত হচ্ছে।
জাতির জনক শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে নেতৃত্বদেননি, নতুন দেশের নেতা হিসাবে মাত্র সাড়ে তিন বছরেদেশের জন্য একটি বিশ্বসেরা সংবিধান ও সকলপ্রয়োজনীয় মৌলিক আইন, প্রতিষ্ঠান ও নীতিমালা তৈরীকরে যান।
মুক্তিযুদ্ধের অসমাপ্ত কাজ তথা যুদ্ধাপরাধীদেরবিচারের উদ্যোগ ও আইনী কাঠামো তৈরী তাঁর অন্যতমপ্রধান কীর্তি।
বক্তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ওযুগান্তকারী ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরেন । যে দুটিআইনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে বা হচ্ছে তার সবগুলোই বঙ্গবন্ধুর করা।
সাংস্কৃতিক কর্মী মোস্তফা কামাল মিলন ও সংগীতশিল্পী তানজিনা তানিয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করে গান পরিবেশন করে। কবিতা আবৃত্তি করেন ইউকে নির্মুল কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক স্মৃতি আজাদ।
অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউকে নির্মুল কমিটির জামাল আহমেদ খাঁন এনামুল হক,, জুয়েল রাজ, শাহমুস্তাফিজুর রহমান, শেলিনা আক্তার জোছনা, কাউন্সেলর মঈন কাদরী, জুসনা পারভিন, নাজমা হোসেন এবং আওয়ামী লীগের রহিমা আহমেদ, জাহানারাবেগম, বাতিরূল হক সর্দার, শহীদ আলী, শফিক মিয়া প্রমুখ ।