প্রধানমন্ত্রীর চার বিশেষ সহকারী নিয়োগ

লেখক: Rumie
প্রকাশ: ২ মাস আগে

Manual5 Ad Code

ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দুজন এবং একজন সচিব ও আরেকজন গ্রেড-২ পদমর্যাদায় নিয়োগ পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া দুজনের মধ্যে সাবেক আমলা বিজন কান্তি সরকারকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক এবং তানভীর গনিকে বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী এই দুজনকে বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ ও দায়িত্ব দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এছাড়া মো. শাকিরুল ইসলাম খানকে সচিব পদমর্যাদা দিয়ে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক এবং মো. সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহকে গ্রেড-২ পদমর্যাদা দিয়ে যুব কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

Manual3 Ad Code

ভিন্ন আয়োজনে প্রিয় বুলু স্যারকে বিদায়
Manual5 Ad Code

ফুলে ফুলে সাজানো একটি মাইক্রোবাসে করে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানান শিক্ষার্থীরা। ফুলে ফুলে সাজানো একটি মাইক্রোবাস। তার সামনে ও পেছনে অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেলের বহর। অনেকটা ভিআইপি প্রটোকলের মতো করে প্রিয় শিক্ষককে শেষ কার্যদিবসে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে পৌঁছে দিলেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মধ্য গোপালরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আহসান হাবীব বুলু স্যারের বিদায় বেলায় এমন এক বিরল ও অভূতপূর্ব দৃশ্যের সাক্ষী হলো এলাকাবাসী।

Manual4 Ad Code

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে শিক্ষক আহসান হাবীব বুলুর অবসরজনিত বিদায় উপলক্ষে এই ব্যতিক্রমী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। বিদায় বেলায় প্রিয় সহকর্মীর এমন সম্মান দেখে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিরা বেগম ডলি।

স্থানীয়রা জানান, একজন সাধারণ স্কুল শিক্ষকের বিদায়ে এমন আয়োজন এই এলাকায় এর আগে দেখা যায়নি। শিক্ষার্থীদের এমন কৃতজ্ঞতাবোধ উপজেলায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিদায় শেষে বিশাল মোটরসাইকেল বহরটি শিক্ষক আহসান হাবীব বুলুকে তার নিজ বাসভবনে পৌঁছে দেয়। এ সময় রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ হাত নেড়ে প্রিয় শিক্ষককে বিদায় জানান।

এ সময় শিক্ষক আহসান হাবীব বুলু আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “শিক্ষক হিসেবে এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু হতে পারে না। আমি আজ গর্বিত যে আমার শিক্ষার্থীরা আমাকে এত সম্মান দিয়েছে। তাদের এই ভালোবাসা আমার বাকি জীবনের শ্রেষ্ঠ স্মৃতি হয়ে থাকবে।’’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিরা বেগম ডলি বলেন, ‘‘আহসান হাবীব বুলু স্যার কেবল এই বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের সবার আস্থার একটি নাম। তার সততা এবং পেশাদারিত্ব আমাদের জন্য সবসময় অনুপ্রেরণার।’’

তিনি বলেন, ‘‘শিক্ষার্থীরা আজ তাকে যেভাবে সম্মান দিয়ে বিদায় জানাচ্ছে, তা দেখে আমার চোখ ভিজে আসছে। একজন শিক্ষকের জন্য এর চেয়ে বড় সার্থকতা আর কী হতে পারে। আমি তার সুস্থ ও দীর্ঘ অবসর জীবন কামনা করছি।”

বিদায় আয়োজনে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ বলেন, ‘‘বুলু স্যার আমাদের কাছে শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি একজন অভিভাবক। ছোটবেলায় তিনি যেভাবে আমাদের হাত ধরে বর্ণমালা শিখিয়েছেন, সেই ঋণ শোধ করার সাধ্য আমাদের নেই। স্যারের শেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই আমরা সব বন্ধুরা মিলে এই ছোট আয়োজন করেছি।’’ আরেক শিক্ষার্থী মলি আক্তার বলেন, ‘‘স্যার আমাদের শুধু পাঠ্যবই পড়াতেন না, কীভাবে ভালো মানুষ হতে হয়; তা শিখিয়েছেন। আজ স্যার বিদায় নিচ্ছেন ভেবে খারাপ লাগছে কিন্তু তাকে আমরা রাজকীয় সম্মানে বিদায় দিতে পেরেছি এটাই শান্তি।’’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code