যত টাকাই লাগুক টিকা আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

লেখক:
প্রকাশ: ৫ years ago

Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্কঃ

Manual4 Ad Code

যত টাকাই লাগুক করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) টিকা আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Manual6 Ad Code

শেখ হাসিনা বলেন, ‘টিকা আনতে যত টাকাই লাগুক না কেন নিয়ে আসা হবে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘যারা প্রতিদিন সরকার উৎখাতের হুমকি দেয়, তাদের কেউই করোনা দুর্যোগে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি।’

সবার জন্য করোনা ভাইরাসের টিকা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে অসহায় মানুষকে আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

যতক্ষণ করোনার টিকা বাজারে আছে ততক্ষণ সরকার তার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকটা ভ্যাকসিনের ডোজ অর্থ খরচ করে সংগ্রহ করছি। কিন্তু জনগণের জীবন বাঁচাতে আমরা এ সকল ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দিচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সব সময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার পাশাপাশি দলীয়ভাবেও আমরা মানুষের পাশে আছি।’

করোনা ভাইরাসের টিকা নেওয়ার সত্ত্বেও মাস্ক পরার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিজেদের সুরক্ষা রাখতে হবে এবং অন্যদের সুরক্ষা রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘করোনায় কৃষকের ধান কাটার সমস্যা ছিল। আমি বলার সঙ্গে সঙ্গে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ মানুষের ধান কেটে দিয়েছে। এভাবে সব দুর্যোগ দুর্বিপাকে আওয়ামী লীগ মানুষের পাশে থাকে।’

ভোলা, জয়পুরহাট ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রান্ত থেকে স্থানীয় সংসদ,জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

এদিকে মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে ঈদ উপহার হিসেবে করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধনের পর থেকে পর্যায়ক্রমে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফার ফান্ডের (ইএফটি) মাধ্যমে অর্থ সহায়তা সরাসরি উপকারভোগীর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাচ্ছে। উদ্বোধনের পর থেকে ইতোমধ্যে সহায়তা উপকারভোগীদের অ্যাকাউন্টে যেতে শুরু করেছে। ১ম দিনে ২২ হাজার ৮৯৫ জন সুবিধাভোগী মোবাইল পরিষেবার মাধ্যমে সহায়তা পান। তিন দিনে সাড়ে ৩৬ লাখ মানুষ এ সহায়তা পাবেন।

দ্বিতীয়বারের মতো হাতে নেওয়া এই সহায়তা জন্য ৯১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে ঈদ উপহার হিসেবে করোনা মহামারীর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

‘করোনা পরিস্থিতির কারণে সাময়িক অসুবিধা মোকাবিলার লক্ষ্যে গতবছরের মতো আপনার পরিবারের জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হলো। ঈদ মোবারক।

শেখ হাসিনা

Manual6 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।’

Manual5 Ad Code

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে- আগামী তিন দিনের মধ্যে নগদ, বিকাশ, রকেট এবং শিউর ক্যাশের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে জিটুপি (গর্ভনমেন্ট টু পার্সন) ভিত্তিতে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পৌঁছে যাবে এসব পরিবারের কাছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code