প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৬ মন্ত্রণালয়

লেখক:
প্রকাশ: ৮ years ago

Manual8 Ad Code

Manual8 Ad Code

ডেস্ক নিউজ: আজ সোমবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে শপথ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের টেলিফোন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪৭ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ শপথ নেবে। রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৪ জন, ১৯ জন হচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আর ৩ জন হচ্ছেন উপমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে থাকছে ছয়টি মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রীর অধীনে থাকা মন্ত্রণালয়গুলো হলো—মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

Manual3 Ad Code

পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন যারা
পূর্ণ মন্ত্রী হচ্ছেন ২৪ জন। তাঁরা হলেন আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক) , ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন ও সেতু), আব্দুর রাজ্জাক (কৃষি), আসাদুজ্জামান খান কামাল (স্বরাষ্ট্র), হাছান মাহমুদ (তথ্য), আনিসুল হক (আইন), আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থ), তাজুল ইসলাম (স্থানীয় সরকার), দীপু মনি (শিক্ষা), এ কে আবদুল মোমেন (পররাষ্ট্র), এম এ মান্নান (পরিকল্পনা), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্প), গোলাম দস্তগীর গাজী (বস্ত্র ও পাট), জাহিদ মালেক (স্বাস্থ্য), সাধন চন্দ্র মজুমদার (খাদ্য), টিপু মুনশি (বাণিজ্য), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণ), শ ম রেজাউল করিম (গণপূর্ত), মো. শাহাব উদ্দিন (পরিবেশ ও বন), বীর বাহাদুর ঊশৈ সিং (পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক), সাইফুজ্জামান চৌধুরী (ভূমি), নুরুল ইসলাম সুজন (রেলপথ), ইয়াফেস ওসমান—টেকনোক্র্যাট (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), মোস্তাফা জব্বার—টেকনোক্র্যাট (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি)।

Manual7 Ad Code

প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন
১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন—কামাল আহমেদ মজুমদার (শিল্প), ইমরান আহমেদ (প্রবাসীকল্যাণ), জাহিদ আহসান রাসেল (যুব ও ক্রীড়া), নসরুল হামিদ (বিদ্যুৎ ও জ্বালানি), আশরাফ আলী খান খসরু (মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ), মন্নুজান সুফিয়ান (শ্রম), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (নৌপরিবহন), জাকির হোসেন (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), শাহরিয়ার আলম (পররাষ্ট্র), জুনায়েদ আহমেদ পলক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি), ফরহাদ হোসেন (জনপ্রশাসন), স্বপন ভট্টাচার্য (স্থানীয় সরকার), জাহিদ ফারুক (পানিসম্পদ), মো. মুরাদ হাসান (স্বাস্থ্য), শরীফ আহমেদ (সমাজকল্যাণ), কে এম খালিদ (সংস্কৃতি), এনামুর রহমান (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), মাহবুব আলী (বিমান), শেখ মো. আবদুল্লাহ—টেকনোক্র্যাট (ধর্ম)।

উপমন্ত্রী ৩ জন
৩ উপমন্ত্রী হচ্ছেন—হাবিবুন নাহার (পরিবেশ), এ কে এম এনামুল হক শামীম (পানিসম্পদ), মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (শিক্ষা)।

সর্বশেষ মন্ত্রিসভার ২৫ মন্ত্রী, ৯ প্রতিমন্ত্রী ও ২ উপমন্ত্রী এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। আর আগের মন্ত্রিসভার জন প্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গত ৩ জানুয়ারি মারা যান।

Manual4 Ad Code

বাদ পড়াদের তালিকায় আছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন তিনি অবসর নিতে চান। এবারের সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থীও হননি। বাদ পড়াদের তালিকায় আরও রয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম, সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী মুহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, পরিবেশ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, মৎসমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বিমানমন্ত্রী এ. কে. এম শাহজাহান কামাল ও ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি।

মন্ত্রীদের মধ্যে টেকনোক্রাট দুই মন্ত্রী নুরুল ইসলাম ও মতিউর রহমান ভোটের আগেই পদত্যাগ করেন।

প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে বাদ পড়েছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক (চুন্নু), বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাবিভাগের প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী।

বাদ পড়েছেন দুই উপমন্ত্রীও। এরা হলেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আরিফ খান জয়। আরিফ খান জয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাননি।

প্রসঙ্গত, নতুন মন্ত্রীসভায় জাতীয় পার্টির কেউ নেই। আগের মন্ত্রীসভায় দলটির তিনজন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রি ছিলেন। বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকার কারণে এবার তারা মন্ত্রিসভায় যোগ দেবে না বলে শপথের পরদিনই দলটির চেয়ারম্যান এরশাদ জানিয়েছেন।

মহাজোটের শরীক জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপির) কেউই মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। আগের মন্ত্রিসভায় জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন ও জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ছিলেন।
সূত্র: প্রথম আলো।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
জাতীয়টপ নিউজবাংলাদেশ এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:
‘বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের গন্তব্য বাংলাদেশ’ শিরোনামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে কানাডার এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও কানাডার আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করাতে প্রথমবারের মতো এ ধরনের সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কানাডার বাংলাদেশ হাইকমিশনার মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলবার্টা প্রদেশের ক্যালগেরির এমপি জাসরাজ সিং হালান, ক্যালগেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদের অধ্যাপক ড. আনিস হক, মাউন্ট রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসেট স্কুল অব বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক ড. তাসফিন হোসেন। এ ছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা চিকিৎসক আইনজীবী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন বাংলাদেশ-কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু। সেমিনারের শুরুতেই বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নের চিত্র বিনিয়োগ ইত্যাদির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। এর পরই কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান স্বাগত বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ সম্পর্কে এবং বিগত ১১ বছরের চলমান বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের চিত্র সভায় উপস্থিত সবার কাছে তুলে ধরেন। এ ছাড়া সেমিনারে এমপি জাসরাজ সিং হালান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন। সেমিনারে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আলবার্টা প্রদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যাদি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো. শাকিল মাহমুদ। সেমিনারে অধ্যাপক ড. আনিস হক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কানাডাতে প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। ড. তাসফিন হোসেন তার উপস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, সেমিনারে মূলত আলবার্টা প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যকার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায় সে বিষয়ে আলোকপাত করা ছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে তা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা প্রদেশ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগকারীদের জন্য যেসব প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে সে বিষয়েও আলোকপাত করা হয়। খনিজসম্পদ, জ্বালানি ও গ্যাস, ভৌত অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং যন্ত্রাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি, সফটওয়্যার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ইত্যাদি বিষয়ে আলবার্টা প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় আলোচনায় অগ্রাধিকার পায়। এ ছাড়া আলোচনায় আগত অতিথিদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের জবাব প্রদানের জন্য প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।
৬ years ago
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code