ফেডারেশন কাপ: ২৩ মিনিটে ৩ গোল দিয়ে সেমিফাইনালে পুলিশ

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ২ years ago
বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল দল। আজ গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামেবাফুফে

Manual2 Ad Code

নিউজ ডেস্ক: ম্যাচটা বাংলাদেশ পুলিশ শেষ করে দিয়েছে আসলে ২৩ মিনিটের মধ্যেই।

যদি কোনো দল ম্যাচের ২৩ মিনিটেই ৩–০ গোলে এগিয়ে যায়, তাহলে প্রতিপক্ষের আসলে করার তেমন কিছুই থাকে না। আজ গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে ফেডারেশন কাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে এমন কিছুই দেখা গেল।

Manual8 Ad Code

শেখ জামাল ধানমন্ডির বিপক্ষে ম্যাচের এ সময়ের মধ্যেই জয় নিশ্চিত করে ফেলে পুলিশ। বাকি সময়টা ধানমন্ডির ক্লাবটিকে ঠেকিয়ে রেখে শেষ পর্যন্ত ৩–০ গোলের জয়েই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, বসুন্ধরা কিংসের পর ফেডারেশন কাপের শেষ চার নিশ্চিত করল তারা। আগামী মঙ্গলবার ঢাকা আবাহনী লিমিটেড ও ফর্টিস এফসির চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে পাওয়া যাবে সেমিফাইনালের চতুর্থ ও শেষ দলকে।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই পুলিশকে ১–০ গোলে এগিয়ে দেন উজবেক ফুটবলার শকিবভ। মাঠের ডান প্রান্ত থেকে পাওয়া ফ্রি–কিক শকিবভের মাথায় ফেলেছিলেন মোহাম্মদ মিঠু। শকিবভ হেড করে শেখ জামালের গোলকিপার মাহফুজ হাসানকে বোকা বানান। পুলিশ এগিয়ে যাওয়ার ব্যবধান ২–০ করে ফেলে ৮ম মিনিটে। এবারের স্কোরার শাহ কাজেম কিরমানি।

Manual1 Ad Code

এডওয়ার্ড এনরিখ মরিয়ভ বাঁ প্রান্তে বল পেয়ে প্রায় বাধাহীনভাবে ঢুকে বক্সের মধ্যে যে ক্রসটি ফেলেন, সেটি থেকে সুযোগসন্ধানী গোল করেন কাজেম। জাতীয় দলের সঙ্গে সৌদি আরবে অনুশীলন করে আসা পুলিশের এই কানাডাপ্রবাসী ফুটবলার দলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গই হয়ে উঠছেন।

ম্যাচের সব আকর্ষণ মোটামুটি ২৩তম মিনিটেই পুলিশ শেষ করে দেয় তৃতীয় গোলটি করে। মরিয়ভের ফ্রি–কিক বক্সে পড়লে শেখ জামাল রক্ষণভাগ সেটি ঠিকমতো ‘ক্লিয়ার’ করতে পারেনি। ফিরতি বলে শাহেদ মিয়া গোলমুখে বল ফেললে রক্ষণভাগকে বোকা বানান উজবেক ফরোয়ার্ড আজামত আবদুলেভ। তিনি দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে ব্যাকহিল করে বল জালে পাঠান।

৩–০ গোলে পিছিয়ে পড়ে শেখ জামাল খেলায় ফেরার চেষ্টা করেছে। তাদের মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, হিগর লেইতেরা আক্রমণে উঠেছেন ঠিকই, কিন্তু সেভাবে গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেননি। তবে মাঝেমধ্যে কিছু সুযোগ পেয়েছে। সেনেগালের ফরোয়ার্ড আবু তোরে প্রথমার্ধেই হাফ চান্সে গোল পেতে পারতেন। একটি গোললাইন ক্লিয়ারেন্সও হয়েছে। কিন্তু পরিষ্কার সুযোগ যেটিকে বলে, তা সেভাবে তৈরি করতে পারেনি শেখ জামাল।

পুলিশের রক্ষণেরও প্রশংসা করতে হয়। মোহাম্মদ ইমন, মোহাম্মদ মিঠু, শাহেদ মিয়ারা ছিলেন সজাগ। দ্বিতীয়ার্ধে পুলিশ মোটামুটি রক্ষণাত্মক কৌশলই নিয়ে নেয়। শেষ জামালের পরিষ্কার প্রাধান্য ছিল ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। দ্বিতীয়ার্ধের শেষের দিকেও আবু তোরে একটি সুযোগ নষ্ট করেন। ম্যাচের প্রথম ২৫ মিনিটে নিজেদের গুছিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়েই আসলে ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় হয়ে গেল শেখ জামালের।

Manual8 Ad Code

Manual1 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code